
রবিবার (২৪ মে) সন্ধ্যায় ময়মনসিংহের ত্রিশালে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মজয়ন্তী উৎসবের দ্বিতীয় দিনের আলোচনাসভার প্রধান অতিথি বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান বলেন, ‘শিল্প-সাহিত্য আমাদের জীবনের অভিচ্ছেদ্য অংশ, সেটা অনেকটা হারিয়ে যেতে বসেছিল। বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে এই চর্চার পরিবর্তে যুবসমাজ মাদকের দিতে ধাবিত হয়েছিল, অস্ত্রবাজি আর গুণ্ডামিতে নিমজ্জিত হয়েছিল।
আসাদুজ্জামান বলেন, ‘আমরা এই দেশটাকে শিশুর বসবাসযোগ্য হিসেবে গড়ে তুলব। যদি ব্যর্থ হই, হেলাল হাফিজের কবিতার মতো বলতে হয়, আমাদের এ প্রজন্ম উত্তর পুরুষের ভীরু কাপুরুষের উপমা হয়ে রয়ে যাব।’
নজরুলের রাজনৈতিক জীবন নিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘সাম্যের কবি, দ্রোহের কবি, বিদ্রোহী কবি নজরুল ছিলেন অসাধারণ ব্যতিক্রম প্রতিভার অধিকারী। কাজী নজরুল ইসলাম একটি ইতিহাস, একটি প্রতিষ্ঠান; তিনি নিজেই একজন ইনস্টিটিউট। অসাম্প্রদায়িক ভারতবর্ষ প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে রাজনীতিবিদদের ভূমিকা উপলব্ধি করে তিনি রাজনীতি করার চিন্তা করেন। সরাস পার্টি নামে একটি দল করে ভারতের কেন্দ্রীয় আইন সভায় প্রতিদ্বন্দ্বিতাও করেন। কিন্তু সেই সময় কংগ্রেসের প্রতারণার কারণে তিনি পরাজিত হন।
ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসক সাইফুল ইসলামের সভাপতিত্বে এতে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শরিফুল আলম, ত্রিশাল আসনের সংসদ সদস্য ডা. মাহবুবুর রহমান লিটন, বিভাগীয় কমিশনার ফারাহ শাম্মী এনডিসি, ডিআইজি আতাউল কিবরিয়া। এছাড়া এতে আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নজরুল গবেষক ড. ইঞ্জিনিয়ার মো. খালিকুজ্জামান, নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের প্রধান ড. মো. হাবিবুল মাওয়া, নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের নজরুল ইনিস্টিটিউটের পরিচালক রাশেদুল আনাম।