June 1, 2026, 1:44 am
শিরোনামঃ
আইনের শাসন ও আইনজীবীদের কল্যাণে সরকার কাজ করছে: আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বাংলাদেশ ভেটেরিনারি কাউন্সিল নির্বাচনে চট্টগ্রাম বিভাগ থেকে সম্ভাব্য প্রার্থী অধ্যাপক ড. মোঃ আলী আজগর চট্টগ্রাম বারের ক্রীড়া সম্পাদক পদে দায়িত্ব গ্রহণ করলেন অ্যাডভোকেট সরোয়ার লাভলু আমরা এখন পর্যন্ত কোনো থ্রেট অনুভব করিনি: র‍্যাব ডিজি ঈদযাত্রায় অতিরিক্ত ভাড়া নিলেই ব্যবস্থা: ডিএমপি কমিশনার গুণ্ডা ও ভণ্ডরা ধর্মের আবরণে রাজনীতি করে : আইনমন্ত্রী রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার চার্জশিট আদালতে রামিসা হত্যা: পুলিশের হাতে তিন রিপোর্ট, প্রস্তুত সাক্ষী আমরা আইনের শাসন নিশ্চিত করতে চাই : প্রধানমন্ত্রী অনলাইন জুয়া-অর্থপাচার চক্রে সিআইডির অভিযান, তিনজন গ্রেপ্তার

রামিসা হত্যা: দোষ স্বীকার করে আদালতে রানার জবানবন্দি

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • Update Time : বুধবার, মে ২০, ২০২৬,
  • 30 Time View
Spread the love

দেশজুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি করা ৭ বছরের শিশু রামিসাকে ধর্ষণ ও গলাকেটে হত্যার ঘটনায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানা। বুধবার (২০ মে) বিকেলে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত তার জবানবন্দি রেকর্ড করেন। পরে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন বিচারক।  পুলিশ জানিয়েছে, সোহেল রানা স্বেচ্ছায় জবানবন্দি দিতে সম্মত হওয়ায় আদালতে তা রেকর্ডের আবেদন করা হয়। সেই সঙ্গে তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে কারাগারে আটক রাখারও আবেদন করা হয়।

এর আগে সোহেল রানাকে ১০ দিনের রিমান্ডে চেয়ে আবেদন করা হয়। তবে এর মধ্যেই তিনি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে রাজি হন।

বিকেল সোয়া ৩টার দিকে হাজতখানা থেকে কড়া নিরাপত্তার মধ্যদিয়ে সোহেল রানাকে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাঈদের আদালতে হাজির করা হয়। এরপর তিনি দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দেন।

আদালতে দেওয়া আবেদনে পুলিশ উল্লেখ করে- হত্যার শিকার শিশু রামিসা রাজধানীর একটি স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। গত সোমবার (১৮ মে) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে সে বাসা থেকে বের হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার কৌশলে তাকে নিজেদের ফ্ল্যাটে নিয়ে যান। পরবর্তীতে ‎সকাল সাড়ে ১০টার দিকে স্কুলে নিয়ে যাওয়ার জন্য শিশুটিকে পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন।

একপর্যায়ে অভিযুক্তদের ফ্ল্যাটের সামনে শিশুটির জুতা দেখতে পান তারা। পরে অনেক ডাকাডাকিতেও কোনো সাড়া না পেয়ে দরজা ভেঙে ভেতরে ঢোকেন শিশুটির স্বজন ও প্রতিবেশীরা। ওই সময় ফ্ল্যাটের একটি কক্ষে শিশুটির মথাবিহীন মরদেহ পড়ে ছিল। এ ছাড়া আরেকটি কক্ষের ভেতরে একটি বালতির মধ্যে তার মাথাটি রাখা ছিল।

আবেদনে আরও বলা হয়, মরদেহ গুমের উদ্দেশে ধারালো অস্ত্র দিয়ে শিশু রামিসার মাথা শরীর থেকে আলাদা করা হয়। সেই সঙ্গে তার সংবেদনশীল অঙ্গ ক্ষতবিক্ষত করা হয় এবং দুই হাত কাঁধ থেকে আংশিক বিচ্ছিন্ন করে মরদেহ বাথরুম থেকে শয়নকক্ষে এনে খাটের নিচে রাখা হয়। পরে খণ্ডিত মাথাটি বালতির মধ্যে রাখা হয়।

অন্যদিকে ঘটনার পর কক্ষের জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে যান প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানা। পরবর্তী সময়ে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার সামনে থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি ঘটনার দায় স্বীকার করেছেন বলেও পুলিশের আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Translate »
%d bloggers like this: