The post জাপানের সঙ্গে সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় নেওয়ার সুযোগ এসেছে: প্রধানমন্ত্রী appeared first on আইন আদালত প্রতিদিন.
]]>মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) টোকিওতে জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির সঙ্গে বৈঠক শেষে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তারেক রহমান।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে জাপানের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে। এই সম্পর্ককে আরও বিস্তৃত ও কার্যকর করার পাশাপাশি পারস্পরিক সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র তৈরির সুযোগ রয়েছে। দুই দেশের অংশীদারত্ব জোরদার হলে তা উভয় দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে ভূমিকা রাখতে পারে।
এ সময় বাংলাদেশের বিভিন্ন সম্ভাবনাময় খাতে বিনিয়োগের জন্য জাপানি বিনিয়োগকারীদের প্রতি আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। বিশেষ করে তথ্যপ্রযুক্তি অবকাঠামোর উন্নয়ন ও নবায়নযোগ্য জ্বালানিসহ বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগের সুযোগ কাজে লাগানোর আহ্বান জানান তিনি।
বাংলাদেশে বিনিয়োগের মাধ্যমে জাপানি প্রতিষ্ঠানগুলো নতুন সম্ভাবনা কাজে লাগাতে পারবে বলে আশা প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী। একই সঙ্গে দুই দেশের ব্যবসায়িক সম্পর্ক আরও সম্প্রসারণ এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।
বাংলাদেশের উন্নয়ন ও আধুনিকায়নে বিদেশি বিনিয়োগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। এ ক্ষেত্রে জাপানের প্রযুক্তিগত দক্ষতা, অভিজ্ঞতা ও বিনিয়োগ বাংলাদেশের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি করতে পারে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জাপান সফর দুই দেশের বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও গভীর করার পাশাপাশি অর্থনৈতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের নতুন সম্ভাবনা তৈরি করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
The post জাপানের সঙ্গে সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় নেওয়ার সুযোগ এসেছে: প্রধানমন্ত্রী appeared first on আইন আদালত প্রতিদিন.
]]>The post ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদরদপ্তর appeared first on আইন আদালত প্রতিদিন.
]]>বাংলাদেশ পুলিশ রাষ্ট্রের প্রধান আইন প্রয়োগকারী সংস্থা।
অপরাধ দমন, অপরাধী গ্রেপ্তার, জনশৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা পুলিশের অন্যতম মৌলিক দায়িত্ব। এসব দায়িত্ব পালনকালে পুলিশ সদস্যদের কখনো কখনো অপরাধী, সংঘবদ্ধ হামলাকারী কিংবা আইন অমান্যকারী ব্যক্তিদের সরাসরি প্রতিরোধ ও আক্রমণের মুখোমুখি হতে হয়।
দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধী গ্রেপ্তার, অবৈধ কর্মকাণ্ড প্রতিরোধ এবং সরকারি দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে চলতি ২০২৬ সালের প্রথম ১০ মাসে পুলিশের ওপর ১৭৬টি হামলার ঘটনা ঘটেছে। এসব হামলায় চারজন পুলিশ প্রাণ হারিয়েছেন এবং ৩৭০ জন গুরুতর আহত হয়েছেন।
দেশের প্রচলিত আইন, বিশেষ করে আত্মরক্ষার অধিকার, দণ্ডবিধি-১৮৬০, ফৌজদারি কার্যবিধি-১৮৯৮ এবং পুলিশ অ্যাক্ট-১৮৬১-এ পুলিশের আত্মরক্ষার অধিকারের কথা বলা রয়েছে।
আইজিপি তার বক্তব্যে মাদক কারবারি, সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ এবং জননিরাপত্তার জন্য হুমকি সৃষ্টিকারী অপরাধীদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণে পুলিশের দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন।
তিনি এ ক্ষেত্রে আইন প্রয়োগের কঠোরতা বোঝাতে গিয়ে ক্রসফায়ার শব্দটি আক্ষরিক অর্থে উল্লেখ করেছেন। তিনি বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড বা বিচারিক প্রক্রিয়ার বাইরে শাস্তি প্রদানের লক্ষ্যে ক্রসফায়ার শব্দটি উল্লেখ করেননি।
একই অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের সম্পর্কে আইজিপির মন্তব্য নিয়েও বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। প্রকৃত অর্থে তিনি সাংবাদিকদের সম্পর্কে ঢালাও কোনো মন্তব্য করতে চাননি, এটি অসাবধানতাবশত হয়েছে।
বাংলাদেশ পুলিশ মানবাধিকার সমুন্নত রেখে জনগণের জানমাল রক্ষা এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় পেশাদারত্ব ও নিরপেক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
The post ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদরদপ্তর appeared first on আইন আদালত প্রতিদিন.
]]>The post জ্বালানি নিরাপত্তায় জাইকার বাজেট সহায়তা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী appeared first on আইন আদালত প্রতিদিন.
]]>
এ সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বৈশ্বিক জ্বালানি খাতের বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় গত বছরের মতো দেশের জ্বালানি চাহিদা ও জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাজেট সহায়তা প্রদানের অনুরোধ জানান। জাইকার প্রেসিডেন্ট বাংলাদেশের সমৃদ্ধি অর্জনে একসঙ্গে কাজ করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
এ সময় জাইকার সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট হারা শোহেই এবং সংস্থাটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রী জাইকার প্রেসিডেন্টের সঙ্গে ২০২৬ সালের জুলাই মাসে তার বাংলাদেশ সফরের সময় ঢাকায় অনুষ্ঠিত ফলপ্রসূ বৈঠকের কথা স্মরণ করেন।
তিনি বাংলাদেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে জাপানের দীর্ঘদিনের সহযোগিতা এবং জাইকার গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের অবকাঠামো উন্নয়ন, আর্থসামাজিক অগ্রগতি এবং উন্নয়ন আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে জাপানের সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে। দুই দেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরো গভীর করার পাশাপাশি বাংলাদেশের উন্নয়ন ও জনগণের জীবনমান উন্নয়নে জাপানের সঙ্গে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।
এ সময় জাপানের সহায়তায় চলমান বৃহৎ উন্নয়ন প্রকল্পগুলো নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
পাশাপাশি অনুমোদনের অপেক্ষায় থাকা অগ্রাধিকারমূলক প্রকল্পগুলোর অনুমোদন ও বাস্তবায়ন ত্বরান্বিত করার বিষয়েও আলোচনা হয়।
বৈঠকে বাংলাদেশের বর্তমান উন্নয়ন অগ্রাধিকার বিবেচনায় জাপানের কাছ থেকে সহজ শর্তে ঋণসহায়তা অব্যাহত রাখা এবং কারিগরি সহযোগিতা সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে বাংলাদেশ–জাপান দক্ষতা উন্নয়ন অংশীদারি, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন নগরী প্রতিষ্ঠা এবং কৃষির আধুনিকায়ন, কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ ও লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং খাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণের প্রস্তাব তুলে ধরা হয়।
প্রধানমন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করেন, এসব উদ্যোগ বাংলাদেশ ও জাপানের কৌশলগত অংশীদারিকে আরো সুদৃঢ় করার পাশাপাশি উভয় দেশের অভিন্ন সমৃদ্ধি অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
The post জ্বালানি নিরাপত্তায় জাইকার বাজেট সহায়তা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী appeared first on আইন আদালত প্রতিদিন.
]]>The post গ্রেপ্তারে নেই দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি, বেপরোয়া অপরাধীরা appeared first on আইন আদালত প্রতিদিন.
]]>তেজগাঁও বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) ইবনে মিজান জানান, গত জুলাই, আগস্ট ও সেপ্টেম্বরে ৬ হাজার ৮৮ জন অপরাধীকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে শুধু মোহাম্মদপুর এলাকা থেকেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে ২ হাজার ১৯৬ জনকে। তিনি বলেন, তেজগাঁও বিভাগের আওতাধীন থানাগুলোতে অপরাধীদের গ্রেপ্তারে প্রতিদিনই অভিযান চালানো হচ্ছে। মোহাম্মদপুর ও আদাবর এলাকায় অপরাধীদের ধরতে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
অপরাধীদের কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণে না আসা পর্যন্ত এসব অভিযান চলবে। পুলিশের দাবি, বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা ঘটলেও আগের তুলনায় এসব এলাকায় অপরাধ নিয়ন্ত্রণে এসেছে। তবে গ্রেপ্তারের পর অপরাধীদের দ্রুত জামিনে মুক্তি পাওয়া এবং আবারও অপরাধে জড়িয়ে পড়ার বিষয়টি উদ্বেগ বাড়াচ্ছে।
অপরাধীদের গ্রেপ্তারের পর তাদের পরিচিতি প্রচারের ধরন নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। ছিনতাইকারী ও কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যদের ‘ইতালিয়ান জুয়েল’-এর মতো চটকদার নামে পরিচিত করা হলে তাদের মধ্যে নায়কোচিত ভাব তৈরি হতে পারে। একই সঙ্গে এসব নাম ও পরিচিতি অন্য কিশোর-তরুণদের অপরাধে আকৃষ্ট করার ঝুঁকি তৈরি করতে পারে বলে মনে করছেন অপরাধ বিশেষজ্ঞরা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক ড. তৌহিদুল হক বলেন, কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যদের গ্রেপ্তারের পর সংবাদ সম্মেলন ও গণমাধ্যমে তাদের উপাধি এবং দলীয় পরিচিতি প্রচার করা হলে অন্য কিশোরদের মধ্যে অপরাধীদের মতো ‘হিরো’ হওয়ার প্রবণতা তৈরি হতে পারে। এতে নতুন করে অপরাধে জড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি বাড়ে। অপরাধীরা এসব পরিচিতি নিজেদের প্রভাব ও চাঁদাবাজির দাপট বাড়াতেও ব্যবহার করতে পারে।
তিনি বলেন, প্রয়োজন অনুযায়ী অপরাধীদের পরিচয় প্রকাশ করা যেতে পারে। তবে সবার ছবি ও অপরাধজগতের কথিত উপাধি প্রচার করা জরুরি নয়। অপরাধ নিয়ন্ত্রণের প্রচার যেন উল্টো অপরাধীদের দৌরাত্ম্য বাড়াতে সহায়তা না করে, সে বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও গণমাধ্যমকে সতর্ক থাকতে হবে। ড. তৌহিদুল হক বলেন, ১৬ থেকে ২০ বছর বয়সী তরুণদের নিয়ন্ত্রণ করা বর্তমান সময়ে বেশ কঠিন। এ বয়সে অনেকের মধ্যে আবেগের আধিক্য থাকে। তারা নিজেদের ইচ্ছামতো চলতে চায় এবং অন্যের কথা সহজে বুঝতে চায় না। এ বয়সে অপরাধে জড়িয়ে পড়াদের গ্রেপ্তারের পর কথিত উপাধিসহ প্রচার করা হলে অন্য কিশোর-তরুণদের কেউ কেউ তাদের হিরো মনে করতে পারে। সেই পরিচিতি পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা থেকেও কেউ অপরাধে জড়াতে পারে। অপরাধ অনুযায়ী দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার তাগিদ দিয়ে তিনি আরও বলেন, অপরাধীরা গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে যাওয়ার পর অল্প সময়ের মধ্যে জামিনে বেরিয়ে আবার অপরাধে জড়ালে তাদের মধ্যে বেপরোয়া মনোভাব তৈরি হয়। কয়েক দিন কারাগারে থাকা ছাড়া কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না- এমন ধারণা তৈরি হলে অপরাধপ্রবণতা আরও বাড়তে পারে।
The post গ্রেপ্তারে নেই দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি, বেপরোয়া অপরাধীরা appeared first on আইন আদালত প্রতিদিন.
]]>The post উপনির্বাচনে সেনা মোতায়েন চায় জামায়াত appeared first on আইন আদালত প্রতিদিন.
]]>তিনি বলেন, আগামী ২৯ তারিখে অনুষ্ঠিতব্য ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী হলেন ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি ও ঢাকা মহানগরী জামায়াতের সেক্রেটারি দেলাওয়ার হোসেন। আমাদের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী হলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের ছোট ভাই মির্জা ফয়সল আমিন।
তিনি আগে ওই আসনের সংসদ সদস্য ও মন্ত্রী ছিলেন। গতকাল আমরা জামায়াতের কেন্দ্রীয় একটি দল নির্বাচনী কার্যক্রম পর্যবেক্ষণের জন্য সেখানে গিয়েছিলাম। সরেজমিনে পরিদর্শন করে, তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করে এবং স্থানীয় লোকজনের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আজ প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কাছে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ লিখিতভাবে পেশ করেছি। একই সঙ্গে তিনটি দাবি জানিয়েছি।
তিনি বলেন, প্রায় এক ঘণ্টা ধরে প্রতিটি অভিযোগ নিয়ে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে খোলামেলা আলোচনা করেছে। একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যেভাবে কথা বলা উচিত, আমরা আন্তরিকতা, শ্রদ্ধা ও সম্মান বজায় রেখে সেভাবেই কথা বলার চেষ্টা করেছি। অভিযোগের পক্ষে প্রমাণ, ছবি এবং আহত ব্যক্তিদের ছবি জমা দিয়েছি। নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের ছবিও দিয়েছি। কিন্তু আমরা খুব দুঃখিত। সরকারের রাজনৈতিক প্রভাব ও ক্ষমতার কাছে একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান কতটা অসহায় হতে পারে, তা আমাদের নয় দফা অভিযোগ ও তিনটি দাবি নিয়ে আলোচনার সময় অনুভব করেছি। তিনি আরও বলেন, একজন ইউএনও সরাসরি নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করছেন। প্রার্থী তার বাড়িতে রাতে যাচ্ছেন, অর্থের বিনিময়ে কাজ করার অভিযোগ আসছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ধানের শীষের প্রার্থীর পক্ষে পোস্ট দেওয়া হচ্ছে। জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে অভিযোগ দেওয়া হলেও লিখিত অভিযোগের কোনো সুফল পাওয়া যাচ্ছে না। একদিকে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন হচ্ছে, অন্যদিকে হামলা করে আমাদের নারী-পুরুষ নেতাকর্মীদের আহত করা হচ্ছে। সদর উপজেলার ইউএনও খাইরুল ইসলামের বিরুদ্ধে আমরা অভিযোগ করেছি।
তিনি আরও বলেন, আমরা বলেছি, বাংলাদেশের ইতিহাস বলে, অতীতে যারা দেশ শাসন করেছেন, তাদের সময়ে পুলিশ বাহিনী অনেক ক্ষেত্রে শাসকদলের নেতা, এমপি-মন্ত্রী এবং জেলা-উপজেলার নেতাদের অন্যায় নির্দেশের সামনে অসহায় হয়ে পড়েছে। রাজনৈতিক চাপ উপেক্ষা করে দায়িত্ব পালন করতে পারেনি। এ কারণে সেখানে যত পুলিশই মোতায়েন করা হোক, তাদের দিয়ে নিরপেক্ষ নির্বাচন হবে কি না, তা নিয়ে আমাদের প্রশ্ন রয়েছে। আমরা সেনাবাহিনী মোতায়েনের দাবি জানিয়েছি।
মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, আমাদের নারীদের গায়ে হাত দেওয়া হয়েছে, পুরুষদের আহত করা হয়েছে। নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করা হচ্ছে। মসজিদের ভেতরে সোফা সেট করে ধানের শীষের প্রার্থী নির্বাচনী সভা করছেন। অথচ আচরণবিধিতে স্পষ্ট বলা আছে, ধর্মীয় স্থানকে নির্বাচনী কাজে ব্যবহার করা যাবে না। ধানের শীষের প্রতীক রঙিনভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে। আচরণবিধিতে পোস্টার ও প্রতীক সাদাকালো রাখার বিধান রয়েছে। এ ধরনের রঙিন প্রতীকের ছবিও আমরা কমিশনকে দিয়েছি। নির্ধারিত সময়ের আগে মাইক ব্যবহার করে প্রচারণা চালানো হচ্ছে। দুপুর ২টার আগে মাইক ব্যবহারের বিধিনিষেধ থাকলেও তা মানা হচ্ছে না। শাসকদলের প্রার্থী তার প্রভাব ও আধিপত্য দেখাচ্ছেন। তার ভাই রাষ্ট্রপতি ছিলেন এমন রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে ওসি, ইউএনও কিংবা জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারছেন না বলে আমাদের অভিযোগ।
তিনি বলেন, ঠাকুরগাঁও-১ আসনে হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রায় এক লাখ ৬৮ হাজার ভোটার রয়েছেন। বাংলাদেশের যেসব নির্বাচনী এলাকায় হিন্দু সম্প্রদায়ের ভোটার বেশি, এটি তার অন্যতম। তাদের হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ পেয়েছি। সরকারি চাকরিজীবী, স্কুল-কলেজের শিক্ষকসহ বিভিন্ন পেশার ভোটারদের বলা হচ্ছে, তারা যদি দাঁড়িপাল্লার পক্ষে কাজ করেন, তাহলে তাদের চাকরি করার ইচ্ছা আছে কি না। এ ধরনের হুমকির মুখে তারা কীভাবে ভোট দিতে যাবেন, তা নিয়ে আতঙ্কিত।
আরও পড়ুন: এনসিপির নারীশক্তির নতুন আহ্বায়ক কমিটি, নেতৃত্বে মিতু ও নুসরাত
তিনি আরও বলেন, আচরণবিধিতে বলা আছে, তফসিল ঘোষণার পর কোনো প্রার্থী বা তার পক্ষের লোকজন ভোটারদের কোনো সুযোগ-সুবিধা বা সেবা দিতে পারবেন না। অথচ ইউনিয়নে ইউনিয়নে মেডিকেল ক্যাম্প বসানো হচ্ছে। সরকারি চাকরিতে নিয়োজিত চিকিৎসকদের এনে বিনা মূল্যে চিকিৎসাসেবা দেওয়া হচ্ছে বলে আমরা অভিযোগ পেয়েছি। এসব সেবা ধানের শীষের প্রার্থীর পক্ষে দেওয়া হচ্ছে বলে আমাদের অভিযোগ। এ-সংক্রান্ত ছবি, সাক্ষ্য-প্রমাণ ও বিস্তারিত তথ্য লিখিতভাবে কমিশনে জমা দিয়েছি। আমরা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খাইরুল ইসলামকে অপসারণের দাবি জানিয়েছি। তার বিরুদ্ধে প্রার্থীর সঙ্গে রাতে বৈঠক, ভয়ভীতি প্রদর্শন, অর্থ লেনদেন এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রার্থীর পক্ষে প্রচারণার মতো অভিযোগ রয়েছে। ঠাকুরগাঁওয়ে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। তার ফেসবুক পোস্টগুলো প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণার মতো বলে আমাদের মনে হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, আমরা সেনাবাহিনী মোতায়েনের দাবি জানিয়েছি। আমাদের বক্তব্য হলো, রাজনৈতিক নেতাদের চাপ উপেক্ষা করে পুলিশ নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। নির্বাচন সুষ্ঠু করতে শুধু বিপুলসংখ্যক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করলেই হবে না। দায়িত্ব পালনকারী ব্যক্তির নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে হবে। একজন দায়িত্বশীল ব্যক্তি পক্ষপাতদুষ্ট হলে পুরো নির্বাচন প্রভাবিত হতে পারে।
১৯৯৪ সালের মাগুরা উপনির্বাচনের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, আমরা নির্বাচন কমিশনকে ১৯৯৪ সালের মাগুরা উপনির্বাচনের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়েছি। ওই নির্বাচনে কী ঘটেছিল, তা গণমাধ্যমকর্মী ও দেশবাসীর জানা আছে। সেই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিএনপি সরকারের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক দলগুলো আন্দোলন শুরু করেছিল। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবি জোরালো হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে সেই দাবি মেনে নেওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হয়। আমরা নির্বাচন কমিশনকে বলেছি, ঠাকুরগাঁও-১ আসনের নির্বাচনকে যেন মাগুরার নির্বাচনের মতো পরিস্থিতিতে পরিণত করা না হয়। এমন পরিস্থিতি তৈরি হলে তার রাজনৈতিক পরিণতি কী হতে পারে, তা স্মরণ করিয়ে দিয়েছি।
তিনি বলেন, আজ পর্যন্ত মাঠপর্যায়ে প্রশাসনের কর্মকর্তা, নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্বে নিয়োজিত ব্যক্তি এবং জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটদের আচরণে আমরা নিরপেক্ষতা দেখতে পাইনি। এই পরিস্থিতির পরিবর্তন না হলে নির্বাচন নিরপেক্ষ হবে না বলেই আমরা মনে করছি।
তিনি আরও বলেন, আমরা নির্বাচন কমিশনের কাছে আশ্বস্ত হতে চেয়েছিলাম। কিন্তু তাদের বক্তব্যে পুরোপুরি আশ্বস্ত হতে পারিনি। কিছুটা হতাশ হয়েছি। ঠাকুরগাঁওবাসীর কাছে আমাদের আবেদন, আপনারা নির্বাচনে প্রশাসনের পক্ষপাতিত্ব, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিষ্ক্রিয়তা এবং শাসকদলের প্রভাব দেখতে পেলে এর বিরুদ্ধে সচেতন থাকুন।
তিনি বলেন, আমরা এখনো নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াইনি। আমরা নির্বাচন করতে চাই। ১১-দলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে দেলাওয়ার হোসেনকে মনোনীত করেছি। সরকার ও নির্বাচন কমিশনকে বলব, এই নির্বাচনকে মাগুরার নির্বাচনে রূপান্তরিত করবেন না। আমরা নির্বাচনে অংশ নিতে প্রস্তুত। আপনারা সেই পরিবেশ সৃষ্টি করুন। আমরা লিখিতভাবে দাবিগুলো জানিয়েছি। কমিশন বলেছে, তারা আলোচনা করবে, স্থানীয়ভাবে যোগাযোগ করবে এবং তাদের এখতিয়ারের মধ্যে থেকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার চেষ্টা করবে। তারা এ কথা বলেছে, তবে তাদের বক্তব্যে আমরা পুরোপুরি আশ্বস্ত হতে পারিনি।
তিনি বলেন, আমরা কমিশনকে বলেছি, এখানে একজন সম্মানিত কমিশনার জুডিশিয়াল সার্ভিস থেকে এসেছেন। বিচার বিভাগে যাঁরা থাকেন, তারা সাহসী হন। আপনারা সাহসী ভূমিকা পালন করুন। সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে নির্বাচন কমিশনের যথেষ্ট ক্ষমতা রয়েছে। সবকিছু স্থানীয় পর্যায়ের কর্মকর্তা, জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা রিটার্নিং কর্মকর্তার ওপর ছেড়ে দিলে হবে না। কমিশনের নিজস্ব ক্ষমতা রয়েছে, সেই ক্ষমতা প্রয়োগ করতে হবে।
নির্বাচন বর্জন করবেন কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমরা এখনো নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াইনি। আমরা নির্বাচন করব বলেই এখানে এসেছি। জনগণকে সতর্ক থাকতে বলেছি। নির্বাচন কমিশন কী পদক্ষেপ নেয়, তা আমরা দেখব।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, রাজনৈতিক চাপের কাছে অসহায় তার সাংবিধানিক যে ক্ষমতা আছে ইলেকশন প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ গোটা কমিশন সেই ক্ষমতা প্রয়োগ করছে না সেই কারণে আমরা বলছি তারা অসহায়।
সেনাবাহিনী মোতায়েন বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, পুলিশ রাজনৈতিক নির্দেশের বিরুদ্ধে যেতে পারে না এমন অভিজ্ঞতা অতীতে দেখা গেছে। অন্যদিকে, দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনীর প্রতি জনগণের আস্থা রয়েছে। তারা এখনো পর্যন্ত দলনিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালনের সক্ষমতা দেখিয়েছে বলে আমরা মনে করি। সে কারণেই সেনাবাহিনী মোতায়েনের দাবি জানিয়েছি।
The post উপনির্বাচনে সেনা মোতায়েন চায় জামায়াত appeared first on আইন আদালত প্রতিদিন.
]]>The post পুলিশের ঊর্ধ্বতন ৩ কর্মকর্তাকে বদলি appeared first on আইন আদালত প্রতিদিন.
]]>বদলিকৃত কর্মকর্তারা হলো-
চট্টগ্রাম রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ের অতিরিক্ত ডিআইজি নাজমুল হাসানকে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার পদে বদলি করা হয়েছে। সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের (এসএমপি) অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ এনামুল হককে খাগড়াছড়ি এপিবিএন ও বিশেষায়িত ট্রেনিং সেন্টারের অতিরিক্ত ডিআইজি পদে পদায়ন করা হয়েছে। পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এ কে এম মাহবুবুর রহমানকে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগে (সিআইডি) বদলি করা হয়েছে। তিনি বর্তমানে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) সংযুক্ত রয়েছেন।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, জনস্বার্থে জারিকৃত এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের আগামী ২৮ অক্টোবরের মধ্যে বর্তমান কর্মস্থলে যোগদান করতে বলা হয়েছে। অন্যথায় ২৯ অক্টোবর ২০২৬ তারিখ থেকে তারা বর্তমান কর্মস্থল হতে তাৎক্ষণিক অবমুক্ত (স্ট্যান্ড রিলিজ) বলে গণ্য হবেন।
The post পুলিশের ঊর্ধ্বতন ৩ কর্মকর্তাকে বদলি appeared first on আইন আদালত প্রতিদিন.
]]>The post পাড়ায়-পাড়ায় মাদকের আখড়া তৈরি করা হয়েছে: আইজিপি appeared first on আইন আদালত প্রতিদিন.
]]>দেশে পুলিশের সংখ্যা মাত্র ২ লাখ ১৫ হাজার। আমরা এই বছরে ২০ হাজার লোক নিয়োগ দেব।
কিন্তু আমাদের একসঙ্গে ২০ হাজার লোক প্রশিক্ষণ দেওয়ার মতো জায়গা নেই।
এখন নতুন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র তৈরি করতে হবে।
একটা দেশের উন্নয়নের জন্য কোনো শর্টকাট ভূমিকা নেই। আপনারা সবাই মিলে যদি সরকারকে সহযোগিতা না করেন, তাহলে দেশ আগাবে না।
দেশের শান্তি-সম্মৃদ্ধি উন্নয়নের জন্য, অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য সবাই মিলে কাজ করতে হবে।
রোববার (২৫ অক্টোবর) দুপুরে বাগেরহাট পুলিশ লাইন্স মিলনায়তনে মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজী, দুর্নীতি, কিশোর গ্যাং ও উগ্রোবাদবিরোধী কমিউনিটি পুলিশিং সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।
সমাবেশে মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজী, দুর্নীতি, কিশোর গ্যাং ও উগ্রোবাদ প্রতিরোধে নানা নির্দেশনা দেন পুলিশ প্রধান মো. আলী হোসেন ফকির। তিনি বলেন, কিশোর গ্যাং প্রতিরোধে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও থানার ওসিদের নিয়ে বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটি জেলা থেকে শুরু করে ইউনিয়ন পর্যন্ত থাকবে। আপনারা জানেন কার ছেলে কি করে। তাই আপনাদের তথ্যের মাধ্যমেই কিশোর গ্যাংয়ের দৌরত্ম্য কমবে। সাইবার ক্রাইম প্রতিরোধে দক্ষ সাইবার ইউনিট গঠন করা হয়েছে। যারা গুজব ও মব প্রতিরোধে কাজ করবে বলে জানান আইজিপি।
দেশে যুবকদের অপরাধে জড়ানোর কারণ হিসেবে বেকারত্বকে দায়ী করে আলী হোসেন ফকির বলেন, প্রতিবছর দেশে ২৭ লাখ বেকার যোগ হচ্ছে। এদের ভেতরে হতাশা এবং যে জীবনী শক্তি আছে তা আমরা ব্যবহার করতে পারছি। ব্যবসায়ীরাও বিনিয়োগ করছে না। তারা টাকা ব্যংকে রেখে দিচ্ছে। বিনিয়োগ না করলে কর্মসংস্থান তেরি হবে না।
মাদকের সঙ্গে জড়িত পুলিশের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে উল্লেখ করে আইজিপি বলেন, গত দুই মাসে আমি ২৭ জন পুলিশ সদস্যকে জেলে পাঠিয়েছি মাদকের কারণে। আগে ঘর পরিস্কার হোক, তারপরে আপনারা পরিস্কার হবেন। তবে মাদকের বিরুদ্ধে তথ্য দিয়ে সবাইকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান পুলিশ প্রধান।
শেখ হাসিনার দেশে ফেরার বিষয়ে আইজিপি বলেন, গুজব, আপা আসবে, কে আসবে আর না আসবে, তা নিয়ে আমাদের প্রশাসনের, কমিউনিটি পুলিশের কোনো ভাবনা নেই।
The post পাড়ায়-পাড়ায় মাদকের আখড়া তৈরি করা হয়েছে: আইজিপি appeared first on আইন আদালত প্রতিদিন.
]]>The post অস্থিরতা সৃষ্টির সুযোগ দেব না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী appeared first on আইন আদালত প্রতিদিন.
]]>রোববার (২৫ অক্টোবর) বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে কোনো অস্থিরতা সৃষ্টির সুযোগ দেওয়া হবে না।
কোনো অপশক্তি, পতিত শক্তি, ফ্যাসিস্ট, পলাতক অপরাধী কিংবা গণহত্যাকারীর অপতৎপরতা চলতে দেওয়া হবে না।
তিনি বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আমরাও শুনছি, ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা বাংলাদেশে ডিসেম্বরে আসতে চান।
তাকে ফেরত পাওয়ার জন্য প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুসারে আমাদের প্রতিবেশী দেশের কাছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে কয়েক দফা অনুরোধপত্র পাঠিয়েছি। আমাদের অবস্থান পরিষ্কার।
ডিসেম্বরে শেখ হাসিনার দেশে ফেরার গুঞ্জন এবং এ নিয়ে সরকারের প্রস্তুতি সম্পর্কে জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, অতীতের ফ্যাসিবাদী শক্তির এ ধরনের অপপ্রয়াস প্রথম থেকেই চালু ছিল। তারা বাংলাদেশে অস্থিরতা সৃষ্টি করতে চায় এবং ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায়।
তিনি বলেন, বাংলাদেশে কোনো অস্থিরতা সৃষ্টির সুযোগ দেব না—কোনো অপশক্তিকে না, কোনো পতিত শক্তিকে না, কোনো ফ্যাসিস্টকে না, কোনো পলাতক অপরাধীকে না, কোনো গণহত্যাকারীকে না।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, গণঅভ্যুত্থানের মুখে যারা বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে এবং দেশের শত শত নাগরিককে হত্যা করেছে, তাদের কোনো অপতৎপরতা বাংলাদেশে চলতে দেওয়া হবে না।
The post অস্থিরতা সৃষ্টির সুযোগ দেব না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী appeared first on আইন আদালত প্রতিদিন.
]]>The post আগামী অধিবেশনে উঠছে না সংবিধান সংশোধনের প্রস্তাব appeared first on আইন আদালত প্রতিদিন.
]]>এ অধিবেশনে গুরুত্বপূর্ণ দুই তিনটি বিল পাস করা হতে পারে এবং আরও দুই একটি বিল উপস্থাপন করা হতে পারে। তবে বহুল আলোচিত সংবিধান সংশোধন প্রস্তাব এই অধিবেশনে উপস্থাপন হচ্ছে না। এ বিষয়ে জানতে চাইলে জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি বলেন, এই অধিবেশনটি মূলত ডাকা হয়েছে সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতাজনিত কারণে। একটি অধিবেশনের পর ৬০ দিনের মধ্যে আরেকটি ডাকতে হবে তাই। তবে দুই একটি বিল পাস হতে পারে। সেটা চূড়ান্ত করার প্রস্তুতি চলছে। চূড়ান্ত হলে উপস্থাপন করা হবে। সংবিধান সংশোধন বিষয়ে কমিটির প্রস্তাব এ অধিবেশনে আসছে না।
এদিকে সংবিধান সংশোনেসর জন্য গঠিত ‘সংবিধান সংশোধন সম্পর্কিত বিশেষ কমিটি’ ইতোমধ্যে ৮টি বৈঠক করেছে। শনিবার ৯তম বৈঠক ডাকা হয়েছে। গত বাজেট অধিবেশনে সংবিধান সংশোধন সম্পর্কিত বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়। তবে এই কমিটিতে বিরোধী দল নেই। বিরোধী দলের সদস্যদের কমিটিতে রাখার জন্য নাম চাওয়া হলেও বিরোধী দল নাম দেয়নি। অপেক্ষা করার পর গত ১৩ জুলাই সংসদের অধিবেশনে কমিটি গঠন করা হয়। ১২ সদস্যের এই কমিটির সভাপতি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহ উদ্দিন আহমদ। বিরোধী দল এই কমিটি প্রত্যাখান করেছিল।
সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র থেকে জানা যায়, এখন পর্যন্ত এই কমিটি সংবিধান সংশোধনে নির্দিষ্ট কোনো বিষয় চূড়ান্ত করতে পারেনি। অর্থাৎ কোন বিষয়ে সংশোধন বা কোন কোন বিষয় বাদ দেওয়া হবে সেগুলো এখনও ঠিক করা হয়। আবার কোন কোন বিষয় বা কি কি সংবিধানে নতুন যুক্ত করা হবে সে বিষয়গুলোও কমিটি এখনও চূড়ান্ত করেনি। সংশোধনের বিষয় কি কি হবে সে সব নিয়ে আলোচনা চলছে। বিভিন্ন পর্যায়ে ব্যক্তি ও অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা করে তাদের মতামতের ভিত্তিতে বিশেষ কমিটি প্রস্তাব তৈরি করার কাজ শুরু করবে। তবে বিষয়টি এখনও আলোচনার পর্যায়ে রয়েছে।
সূত্রগুলো আরও জানায়, বাংলাদেশের রাষ্ট্রকাঠামোর গণতান্ত্রিক সংস্কারের যেসব প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, সেগুলো সংবিধানের সংশোধনী প্রস্তাবে রাখার চেষ্টা করবে বিশেষ কমিটি। এর জন্য কোন কোন বিষয় আনা যায় সেগুলো সম্পর্কে বিভিন্ন দিক থেকে মতামত ও প্রস্তাব নেওয়া হচ্ছে। এর জন্য সংবিধান বিশেষজ্ঞ, আইনজীবী, শিক্ষাবিদ, রাজনৈতিক দল, পেশাজীবী ও বিভিন্ন অংশীজনের মতামত নেবে কমিটি। এই মতামত নেওয়া ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান মতামত দিতে চাইলে কমিটি তাদের মতামতও নেবে। ধারাবাহিক বৈঠক ও আলোচনার মাধ্যমে প্রস্তাব চূড়ান্ত করতে আরও সময় সময় লাগবে।
জাতীয় সংসদের আগামী বছরের প্রথম অধিবেশনে এই সংশোধন প্রস্তাবটি আসতে পারে বলে সূত্রগুলো জানায়। আগামী বছরের প্রথম অধিবেশন জানুয়ারি মাসের মাঝামাঝিতে শুরু হতে পারে। সংবিধান সংশোধন সম্পর্কিত বিশেষ কমিটি প্রস্তাব তৈরি করার পর সেটি বিল আকারে সংসদের অধিবেশনে উপস্থাপন করা হবে। এরপর বিলটি নিময় অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হবে। স্থায়ী কমিটিতে আলোচনার পর পাসের জন্য সংসদে আসবে। এই সব প্রক্রিয়া শেষ করতে বেশ কয়েক মাস সময় লাগবে। সংবিধান সংশোধন প্রস্তাবটি কবে নাগাত সংসদে আসতে পারে জানতে চাইলে জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি বাংলানিউজকে বলেন, এখনও অনেক সময় লাগবে। আমরা আলাপ আলোচনা করছি। সংবিধান বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে আলোচনা করবো, অংশীজনদের মতামত নেবো। কি সংশোধন আনা হবে, প্রস্তাব কি এগুলোর বিষয়ে তাদের মতামত নিয়ে তারপর প্রস্তাব তৈরি হবে। মতামত নেওয়া হচ্ছে, এটা আরও চলতে থাকবে। প্রস্তাবটি কত দিনের মধ্যে চূড়ান্ত করতে পারবো সেটা এখনই বলা যাচ্ছে না।
The post আগামী অধিবেশনে উঠছে না সংবিধান সংশোধনের প্রস্তাব appeared first on আইন আদালত প্রতিদিন.
]]>The post রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার ভারসাম্যে সংবিধানে সংশোধন আনা হচ্ছে appeared first on আইন আদালত প্রতিদিন.
]]>
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় সংবিধান ও আইন বিশেষজ্ঞ এবং শিক্ষাবিদরা অংশ নেন।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে ক্ষমতার ভারসাম্য প্রতিষ্ঠার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।
কয়েকটি কমিশন বা সংবিধিবদ্ধ সংস্থার নিয়োগের ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির হাতে দেওয়ার প্রস্তাবটি কমিশন থেকে এসেছিল। এর মধ্যে শেষ পর্যন্ত ছয়টি সংস্থার কথা বলা হয়েছে।
সেগুলোর মধ্যে চারটির বিষয়ে সবাই একমত হয়েছেন। বাকি দুটির বিষয়ে মোটামুটি ঐকমত্য হয়েছে।
তিনি বলেন, এ বিষয়ে কারও সুনির্দিষ্ট মতামত থাকলে লিখিতভাবে দিতে পারেন। সেগুলো গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করা হবে।
অপর এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এগুলো ক্ষমতার ভারসাম্য প্রতিষ্ঠারই অংশ। রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার মধ্যে ভারসাম্য আনতে কিছু কিছু ক্ষেত্রে সংবিধানে সংশোধন করা হচ্ছে। এ বিষয়টিও সেই উদ্যোগের একটি অংশ।
The post রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার ভারসাম্যে সংবিধানে সংশোধন আনা হচ্ছে appeared first on আইন আদালত প্রতিদিন.
]]>