The post ভালোবাসার অপূর্ণতা থেকে পূর্ণতার গল্প—বইমেলায় এডভোকেট সরোয়ার লাভলুর ‘ভালোবাসার মিসকল’ appeared first on আইন আদালত প্রতিদিন.
]]>চট্টগ্রাম বইমেলায় উন্মোচিত হলো ‘ভালোবাসার মিসকল’: প্রেম ও বাস্তবতার অনন্য গল্প
চট্টগ্রাম নগরীর ঐতিহ্যবাহী এম এ আজিজ স্টেডিয়াম প্রাঙ্গণে চলমান অমর একুশে বইমেলা ২০২৬-এ তৃতীয় চোখ প্রকাশনার স্টলে অনুষ্ঠিত হলো বহুল প্রতীক্ষিত উপন্যাস “ভালোবাসার মিসকল”-এর মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠান।
গত ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টায় অনুষ্ঠিত এ আয়োজন ঘিরে বইপ্রেমী, লেখক ও বিশিষ্টজনদের উপস্থিতিতে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাহিদুল করিম কচি, আমার দেশ পত্রিকার আবাসিক সম্পাদক ও চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সভাপতি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তৃতীয় চোখ প্রকাশনার প্রকাশক মোঃ আলী প্রয়াস। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন আইআইইউসি ল’ অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি মাহবুবুল হাসান অনু, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী এ এম মুন্না চৌধুরী, সাংবাদিক এমকে মনির, লেখকের সহধর্মিনী নাজমা আরা সরোয়ার, লায়ন হালিমা চৌধুরী, অ্যাডভোকেট ইসরাত জেরিন পাপিয়া, অ্যাডভোকেট নাজমুল হোসেন অভি, নার্গিস আক্তার নিশি, ফাতেমা তুজ জোহরা, মোহাম্মদ ফয়সাল উদ্দিন, জেবুন্নেছা সহ অসংখ্য পাঠক-লেখক।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে জাহিদুল করিম কচি বলেন, “বর্তমান সময়ে সাহিত্যে বাস্তব জীবনের অভিজ্ঞতা থেকে লেখা উপন্যাসের চাহিদা বাড়ছে। ‘ভালোবাসার মিসকল’ সেই ধারার একটি শক্তিশালী সংযোজন, যা পাঠকের হৃদয়ে গভীর ছাপ ফেলবে।”
লেখক মোঃ সরোয়ার হোসাইন লাভলু তার বক্তব্যে বলেন, “এই উপন্যাসটি আমার জীবনের অনুভূতি, সংগ্রাম ও উপলব্ধির প্রতিফলন। আমি বিশ্বাস করি, জীবনের সব ভালোবাসা পূর্ণতা পায় না, কিন্তু প্রতিটি ভালোবাসা মানুষকে কিছু না কিছু শিখিয়ে যায়।”
প্রকাশক মোঃ আলী প্রয়াস বলেন, “এই বইটি শুধু একটি প্রেমের গল্প নয়, এটি জীবনের বাস্তবতা, হারানো ভালোবাসা এবং নতুন করে বেঁচে ওঠার এক অনন্য দলিল।”
লেখকের ঘনিষ্ঠ বন্ধু এ এম মুন্না চৌধুরী বলেন, “লেখকের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা ও অনুভূতির গভীরতা এই উপন্যাসে স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে, যা পাঠকদের সাথে সহজেই সংযোগ স্থাপন করবে।”
পাঠক প্রতিনিধি হিসেবে নার্গিস আক্তার নিশি বলেন, “গল্পের প্রতিটি স্তর আমাদের বাস্তব জীবনের সাথে মিলে যায়। বিশেষ করে প্রথম প্রেমের অপূর্ণতা ও পরবর্তীতে জীবনের নতুন অর্থ খুঁজে পাওয়ার বিষয়টি অত্যন্ত হৃদয়স্পর্শী।”
উপন্যাস “ভালোবাসার মিসকল”-এর মূল ভাবনা আবর্তিত হয়েছে এমন এক বাস্তবতার উপর, যেখানে সব ভালোবাসা শেষ পর্যন্ত পূর্ণতা পায় না। গল্পের শুরুতে এক তরুণ ছাত্রের আন্তরিক প্রেম সামাজিক ও পারিবারিক কারণে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়, যা তার জীবনে এক গভীর শূন্যতার সৃষ্টি করে। তবে সেই কষ্ট তাকে ভেঙে না দিয়ে বরং নতুনভাবে গড়ে তোলে—সে আইনশাস্ত্রে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করে প্রতিষ্ঠিত আইনজীবী হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করে।
সময়ের পরিক্রমায় তার জীবনে নতুন একজন মানুষের আগমন ঘটে, যার মাধ্যমে সে খুঁজে পায় জীবনের স্থিরতা ও শান্তি। অনেক বছর পর পুরনো প্রেমিকার সাথে পুনরায় যোগাযোগ হলেও সেখানে নতুন কোনো সম্পর্ক গড়ে ওঠে না; বরং অতীত স্মৃতি হিসেবেই থেকে যায়।
উপন্যাসটির নামের মধ্যেই একটি গভীর প্রতীক নিহিত রয়েছে—যেমন একটি “মিসকল” শুধু একটি ক্ষণিক ডাক, তেমনি জীবনের কিছু ভালোবাসাও ক্ষণস্থায়ী হয়ে স্মৃতির পাতায় রয়ে যায়।
সবশেষে, উপন্যাসটি এই বার্তাই দেয়—প্রথম প্রেম মানুষকে স্মৃতি দেয়, কিন্তু প্রকৃত জীবনসঙ্গী মানুষকে দেয় স্থায়ী শান্তি ও পূর্ণতা।
The post ভালোবাসার অপূর্ণতা থেকে পূর্ণতার গল্প—বইমেলায় এডভোকেট সরোয়ার লাভলুর ‘ভালোবাসার মিসকল’ appeared first on আইন আদালত প্রতিদিন.
]]>The post প্রকাশিত হতে যাচ্ছে এডভোকেট সরোয়ার লাভলুর প্রথম উপন্যাস ‘ভালোবাসার মিসকল’ appeared first on আইন আদালত প্রতিদিন.
]]>
শালার শালী মিস কল দাও….. একটি সাহসী মেসেজ, প্রথম প্রেম, প্রথম মিসকল… এক অদ্ভুত শুরু—এই কথাগুলোই যেন বইটির মর্মকথা।
একটা ভুল নাম্বার।
একটা দুষ্টু মেসেজ।
আর সেখান থেকেই শুরু এক অচেনা সম্পর্কের গল্প।
২০০৭ সালের ১৪ই ফেব্রুয়ারি। একটি মিসকল বদলে দেয় জীবনের দিকচিহ্ন। মজা থেকে বন্ধুত্ব, বন্ধুত্ব থেকে অনুভূতি, আর অনুভূতির গভীরে জন্ম নেয় এক অদ্ভুত টান। একটি সাহসী মেসেজ খুলে দেয় নতুন পথের দরজা। তারপর শুরু হয় কথা, অপেক্ষা, অভিমান আর অপ্রকাশিত ভালোবাসার দীর্ঘ পথচলা।
উপন্যাসটি সম্পূর্ণ সত্য ঘটনা অবলম্বনে রচিত। ভালোবাসা কি পরিকল্পনা করে আসে, নাকি হঠাৎ করেই এক অজানা নাম্বার থেকে জীবনে ঢুকে পড়ে—এই প্রশ্নের আবেগঘন উত্তর খুঁজে পাওয়া যাবে বইটির পাতায় পাতায়।
প্রচ্ছদ করেছেন নাজমা আরা সরোয়ার। তৃতীয়চোখ প্রকাশনার প্রকাশক আলী প্রয়াস প্রকাশিত সরকারি অনুমোদন প্রাপ্ত বইটি ঢাকা বইমেলা সহ এবং ঈদের পর চট্টগ্রাম বইমেলা সহ দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে পাওয়া যাবে। পাশাপাশি বাতিঘর (চট্টগ্রাম, ঢাকা, রাজশাহী, সিলেট), সাহিত্য বিচিত্রা, চন্দ্রবিন্দু, রকমারি ডটকম, ঢাকা , বিল্লাহ লাইব্রেরি, মাওলানা লাইব্রেরি (সীতাকুণ্ড, চট্টগ্রাম) এবং ৩নং আইনজীবী মিলনায়তন, আইনজীবী ভবন, কোতোয়ালি, চট্টগ্রাম থেকেও সংগ্রহ করা যাবে।
প্রথম প্রেমের টান, দ্বিধা, বন্ধুত্ব আর অপ্রকাশিত অনুভূতির এক হৃদয়ছোঁয়া গল্প নিয়ে ‘ভালোবাসার মিসকল’ শিগগিরই পাঠকের হাতে পৌঁছাবে। সাহিত্যপ্রেমীদের মাঝে বইটি ইতোমধ্যে আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।
চোখ রাখুন—হয়তো এই গল্পেই খুঁজে পাবেন নিজের কোনো হারিয়ে যাওয়া মুহূর্ত।
The post প্রকাশিত হতে যাচ্ছে এডভোকেট সরোয়ার লাভলুর প্রথম উপন্যাস ‘ভালোবাসার মিসকল’ appeared first on আইন আদালত প্রতিদিন.
]]>The post অবশেষে পদত্যাগ করলেন ঢাবি ভিসি appeared first on আইন আদালত প্রতিদিন.
]]>আজ রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) সকালে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে এ আবেদনপত্র জমা দেন অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান। পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের পরিচালক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম এক বিবৃতিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এসময় শিক্ষামন্ত্রী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ এবং সম্ভাবনা, শিক্ষা ও গবেষণার উন্নয়নে করণীয়সহ বিভিন্ন বিষয়ে উপাচার্যের মতামত জানতে চান এবং এক্ষেত্রে তাঁর সহযোগিতা কামনা করেন।
উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রম, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা, ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতাসহ বিভিন্ন বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রীকে বিস্তারিতভাবে অবহিত করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের বৃহত্তর শিক্ষাখাতের উন্নয়নে অব্যাহতভাবে কাজ করার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
এ সময় শিক্ষামন্ত্রী দেশের ক্রান্তিকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়নে অসামান্য অবদান রাখায় উপাচার্যকে বিশেষ ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন এবং ফুলেল শুভেচ্ছা জানান।
এর আগে গত ১০ ফেব্রুয়ারি এক সংবাদ সম্মেলনে উপাচার্য পদ থেকে সরে দাঁড়াতে চান বলে জানিয়েছিলেন। নির্বাচনের আগ মুহূর্তে তিনি বলেছিলেন, ‘এই মুহূর্তে আমি হঠাৎ করে কোনো শূন্যতা সৃষ্টি করছি না, পদত্যাগ করে চলে যাচ্ছি না। আমি সরকারকে একটি সুযোগ দিচ্ছি—তারা যেন প্রয়োজন অনুযায়ী প্রশাসন সাজিয়ে নিতে পারে। তবে ধারাবাহিকতা রক্ষার বিষয়ে আমার একটি বিশেষ অনুরোধ থাকবে।
এটি জাতির বিশ্ববিদ্যালয়—কোনো নির্দিষ্ট দলের নয়।’
উপাচার্য তখন আরো বলেছিলেন, ‘আমরা ২০২৪ সালের আগস্ট মাসের শেষের দিকে এক ক্রান্তিকালীন ও বিশেষ পরিস্থিতিতে দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলাম। সে সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থা ছিল অত্যন্ত সংকটাপন্ন। একাডেমিক কার্যক্রম কার্যত বন্ধ ছিল, হলগুলো ছিল অনিশ্চিত অবস্থায়, আর প্রশাসনিক কাঠামো ছিল প্রায় অচল। সেই আপৎকালীন পরিস্থিতিতে আপনাদের সবাইকে সঙ্গে নিয়ে আমাদের প্রথম ও প্রধান কাজ ছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কার্যক্রম ফের চালু করা এবং প্রতিষ্ঠানটিকে একটি স্থিতিশীল পর্যায়ে নিয়ে আসা।
The post অবশেষে পদত্যাগ করলেন ঢাবি ভিসি appeared first on আইন আদালত প্রতিদিন.
]]>The post ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অধ্যাদেশ অনুমোদন appeared first on আইন আদালত প্রতিদিন.
]]>
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) দুপুর দুইটার দিকে ঢাকা কলেজের সামনে অবস্থানরত আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা অধ্যাদেশ অনুমোদনের খবর পেয়ে আবেগঘন আনন্দে মেতে ওঠেন। শিক্ষার্থীরা ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি’র নামে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন। দীর্ঘদিনের দাবি আদায়ের আনন্দে অনেক শিক্ষার্থী একে অপরকে জড়িয়ে ধরে কাঁদতে দেখা গেছে।
আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক ও ঢাকা কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী আব্দুর রহমান বলেন, “আমাদের দেড় বছরের আন্দোলন আজ সফল হয়েছে। শিক্ষা উপদেষ্টা নিজেই আমাকে ফোন করে জানিয়েছেন যে উপদেষ্টা পরিষদে আমাদের ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির অধ্যাদেশ অনুমোদন হয়েছে।”
প্রসঙ্গত, সাত সরকারি কলেজের শিক্ষার্থীরা স্বতন্ত্র ও স্বায়ত্তশাসিত একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন চালিয়ে আসছিলেন। সরকারের আজকের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের মাধ্যমে তাদের দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটল এবং শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন বাস্তবায়িত হলো।
The post ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অধ্যাদেশ অনুমোদন appeared first on আইন আদালত প্রতিদিন.
]]>The post পাহাড়তলীতে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উদ্যোগে “হ্যান্ড প্রিন্ট” অপ্রাতিষ্ঠানিক প্রতিক্ষণের শুভ উদ্বোধন appeared first on আইন আদালত প্রতিদিন.
]]>অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ ও যুব ও ক্রীড়া সংগঠক জনাব মোশারফ হোসেন দীপ্তি। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, “আজকের তরুণরাই আগামী দিনের নেতৃত্ব দেবে। যুবসমাজকে সুসংগঠিত, প্রশিক্ষিত ও ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করতে পারলেই জাতি এগিয়ে যাবে। যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের এই উদ্যোগ প্রশংসনীয় এবং সময়োপযোগী।”
অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন বিশিষ্ট সংগঠক ও বিজিএমই-এর পরিচালক জনাব সাইফুল্লাহ মনসুর। তিনি বলেন, “যুব উন্নয়নের মূল শক্তি হলো সঠিক দিকনির্দেশনা ও প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ। এ ধরণের কার্যক্রম তরুণ প্রজন্মকে আত্মনির্ভরশীল হতে সহায়তা করবে।”
মুখ্য আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন পাহাড়তলী ইউনিটের যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা জনাব মোঃ জাহান উদ্দিন। তিনি বলেন, “অপ্রাতিষ্ঠানিক প্রতিক্ষণ ‘হ্যান্ড প্রিন্ট’-এর মাধ্যমে স্থানীয় যুবক-যুবতীদের দক্ষতা বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং সামাজিক নেতৃত্ব গঠনের চেষ্টা করা হবে। এটি তরুণদের জন্য একটি মাইলফলক হয়ে উঠবে।”
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন এডভোকেট মোঃ সরোয়ার হোসাইন লাভলু, অতিরিক্ত জেলা পাবলিক প্রসিকিউটর, চট্টগ্রাম। তিনি বলেন, “আইন, নীতি ও শৃঙ্খলার মধ্য দিয়ে তরুণরা যদি তাদের প্রতিভা কাজে লাগায় তবে সমাজ থেকে অন্যায়-অবিচার দূর করা সহজ হবে। এই ধরনের কর্মসূচি যুবসমাজকে ইতিবাচক পথে পরিচালিত করবে।”
আরো বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্বাস ট্রেনিং সেন্টার-এর চেয়ারম্যান শফিউল বাসর এবং হাতিয়া যুব কল্যাণ সোসাইটির সভাপতি সাইফুল্লাহ মনির। তারা যৌথভাবে বলেন, “যুব সমাজের উন্নয়নে সবাইকে হাতে হাত রেখে কাজ করতে হবে। একসাথে কাজ করলেই তরুণরা মাদক ও নেতিবাচক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে থাকবে।”
অনুষ্ঠানে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি, তরুণ সমাজ এবং বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
The post পাহাড়তলীতে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উদ্যোগে “হ্যান্ড প্রিন্ট” অপ্রাতিষ্ঠানিক প্রতিক্ষণের শুভ উদ্বোধন appeared first on আইন আদালত প্রতিদিন.
]]>The post রিভিউ: আন্তন চেখভের ‘বাজি’ আইন ও নৈতিকতার দ্বান্দ্বিক প্রেক্ষাপটে এক সাহিত্যিক পাঠ appeared first on আইন আদালত প্রতিদিন.
]]>অনুবাদক: মেজর মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন মাহমুদ
রিভিউকার: এডভোকেট মোঃ সারোয়ার হোসাইন লাভলু,
আন্তন চেখভ রাশিয়ান সাহিত্যের একজন অনন্য কুশলী শিল্পী, যিনি তাঁর সংক্ষিপ্ত গল্পের মাধ্যমে মানব মননের জটিল গঠনতন্ত্র, নৈতিক সংশয় এবং সামাজিক কাঠামোর সীমাবদ্ধতা তুলে ধরেছেন। তাঁর “বাজি” গল্পটি মূলত একটি নৈতিক ও আইন-দর্শনভিত্তিক ডিসকোর্স, যেখানে দণ্ডবিধির প্রকৃতি, ব্যক্তিস্বাধীনতা, আর্থিক লোভ এবং আত্মজ্ঞান প্রশ্নের মুখে দাঁড়ায়।
গল্পটি শুরু হয় এক নৈশ ভোজে, যেখানে উচ্চশিক্ষিত ব্যক্তিবর্গের মাঝে মৃত্যুদণ্ড ও যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের ন্যায়সঙ্গততা নিয়ে একটি যুক্তিক বিতর্ক শুরু হয়। এই বিতর্কের সূত্র ধরেই গড়ে ওঠে গল্পের কেন্দ্রীয় ঘটনা—এক তরুণ আইনজীবী ও এক বিত্তশালী ব্যাংকারের মধ্যে সম্পাদিত একটি ‘চুক্তিগত বাজি’, যেখানে আইনজীবী স্বেচ্ছায় ১৫ বছর কারাবাসে থাকতে সম্মত হন দুই মিলিয়ন রুবলের বিনিময়ে।
আইন ও নৈতিকতার দৃষ্টিকোণ থেকে আলোচ্য পয়েন্টসমূহ:
১. শাস্তির দর্শন ও মানবাধিকারের চেতনা:
গল্পে উত্থাপিত বিতর্কটি মূলত মৃত্যুদণ্ডের বৈধতা ও নৈতিকতা প্রশ্নে কেন্দ্রিত। একদিক থেকে এটি রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ ক্ষমতার চর্চা, অপরদিকে এটি মানবাধিকার, বিশেষ করে জীবনের অধিকারের সরাসরি লঙ্ঘন। একজন আইনজীবী হিসেবে বলা যায়, এই বিতর্কটি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনে স্বীকৃত “right to life” ধারার অন্তর্নিহিত নৈতিক বয়ানকেই পুনরুচ্চারিত করে।
২. স্বেচ্ছায় কারাবাস: ব্যক্তি স্বাধীনতার একটি চরম পরীক্ষা:
আইনজীবী চরিত্রটি প্রতীকী অর্থে ব্যক্তি স্বাধীনতার বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে একটি চুক্তিতে প্রবেশ করেন, যার মধ্য দিয়ে লেখক মানব স্বাধীনতার বিপরীতে আর্থিক প্রলোভনের প্রভাব পরীক্ষা করেন। আইনত, এই চুক্তিটি অস্বাভাবিক হলেও, তা ব্যক্তি ইচ্ছার স্বাধীনতায় ভিত্তি করেই সম্পাদিত, যা চেখভের আঙ্গিকে এক প্রকার মনস্তাত্ত্বিক এবং সামাজিক পরীক্ষা।
৩. আধ্যাত্মিক উত্তরণ ও আত্মবর্জনের নৈতিকতা:
কারাবাসকালীন সময়ে আইনজীবীর মনস্তাত্ত্বিক রূপান্তর—বইপ্রীতি, ভাষা-অর্জন, ধর্ম-দর্শনের প্রতি আগ্রহ এবং শেষপর্যন্ত অর্থের প্রতি বিমুখতা—একজন আইনবিদের আত্মশুদ্ধির পথে অভিযাত্রার প্রতিচ্ছবি। এখানেই গল্পটি আইনের পুনর্বাসনমূলক (reformative justice) দর্শনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়ে ওঠে।
৪. চুক্তি, দায় এবং অন্তর্নিহিত নৈতিক দায়িত্ব:
শেষ মুহূর্তে আইনজীবী যখন অর্থ প্রত্যাখ্যান করেন, তখন তা শুধু অর্থের প্রতি তাচ্ছিল্য নয়, বরং একটি গভীর নৈতিক দায়বদ্ধতা ও আত্মিক বিজয়ের প্রকাশ। অপরদিকে, ব্যাংকারের অপরাধপ্রবণ চিন্তা—আইনজীবীকে হত্যার কল্পনা—তাকে এক আত্ম-লাঞ্ছনার পথে ঠেলে দেয়। চেখভের এই চিত্রায়ন ‘পজিটিভ আইন’ (positive law) বনাম ‘ন্যাচারাল জাস্টিস’ (natural justice)-এর এক অনন্য দ্বন্দ্বকে সামনে আনে।
আন্তন চেখভের ‘বাজি’ নিছক একটি গল্প নয়, এটি একটি বিচারতাত্ত্বিক ও নৈতিক-দর্শনভিত্তিক পাঠ, যেখানে শাস্তির উদ্দেশ্য, মানবিক স্বত্বা, আর্থিক মোহ এবং আত্মোপলব্ধি এক সাথে উপস্থিত হয়। একজন আইনজীবী হিসেবে আমি একে দেখি আইন ও ন্যায়ের সীমারেখার মাঝে অবস্থানকারী এক মনস্তাত্ত্বিক যাত্রা হিসেবে, যা শুধু ন্যায়বিচার নয়, নৈতিক উন্নয়নকেও আইন-প্রয়োগের অন্যতম অনুষঙ্গ হিসেবে বিবেচনার দাবি তোলে।
চেখভের এ সাহিত্যকর্ম আমাদের মনে করিয়ে দেয়, আইন প্রয়োগ কেবল বিচার বা দণ্ড প্রদানে সীমাবদ্ধ নয়, বরং তা ন্যায়, মানবতা এবং আত্মিক পুনর্গঠনের এক অবিচ্ছেদ্য প্রক্রিয়া।
রিভিউকার:
এডভোকেট মোঃ সারোয়ার হোসাইন লাভলু,
অতিরিক্ত জেলা পাবলিক প্রসিকিউটর, চট্টগ্রাম
চেয়ারম্যান, দিশারী যুব ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ
The post রিভিউ: আন্তন চেখভের ‘বাজি’ আইন ও নৈতিকতার দ্বান্দ্বিক প্রেক্ষাপটে এক সাহিত্যিক পাঠ appeared first on আইন আদালত প্রতিদিন.
]]>The post চন্দ্রনাথ পাহাড়ে মসজিদ নির্মাণ প্রসঙ্গ: ইসলাম কী বলে? appeared first on আইন আদালত প্রতিদিন.
]]>
এডভোকেট মোঃ সারোয়ার হোসাইন লাভলু
অতিরিক্ত জেলা পাবলিক প্রসিকিউটর, চট্টগ্রাম
চন্দ্রনাথ পাহাড়ের বাস্তবতা
সীতাকুণ্ডের চন্দ্রনাথ পাহাড় হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের একটি প্রাচীন তীর্থস্থান। এখানে প্রতিবছর অগণিত হিন্দু ভক্ত পূজা-অর্চনার উদ্দেশ্যে আসেন। এটি কোনো পর্যটন স্পট নয়, বরং হিন্দু ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পালনের কেন্দ্র। সাম্প্রতিক সময়ে কিছু ব্যক্তি সামাজিক মাধ্যমে দাবি তুলেছেন যে এই তীর্থস্থানের পাশে বা চূড়ায় মসজিদ নির্মাণ করা হবে। এ নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক ও বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে।
ইসলামে মুসলমানদের জন্য বাধ্যবাধকতা কোথায়?
ইসলামে কোথাও বলা হয়নি যে কোনো মুসলমানকে হিন্দুদের তীর্থস্থানে যেতে হবে, কিংবা পাহাড়ে উঠে ইবাদত করতে হবে।
মুসলমানদের জন্য ফরজ করা হয়েছে—
পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করা, যা মসজিদে জামায়াতের সাথে হলে সর্বোত্তম।
আল্লাহর আনুগত্যে জীবন পরিচালনা করা।
অন্যদিকে, পর্বত আহরণ, পাহাড়ে ভ্রমণ বা হিন্দুদের তীর্থস্থানে গিয়ে সেলফি তোলা কোনো ইবাদত নয়। ইসলাম কখনো মুসলমানদের অন্য ধর্মাবলম্বীদের তীর্থযাত্রা অনুকরণ করতে বা সেখানে উপাসনা করতে নির্দেশ দেয়নি।
আল্লাহ বলেন—
“এবং আমি মানুষ ও জ্বিনকে কেবল আমার ইবাদতের জন্যই সৃষ্টি করেছি।”
(সূরা আয-যারিয়াত, ৫৬)
এখানে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে—ইবাদতের স্থান হচ্ছে মসজিদ, অন্যের উপাসনালয় নয়।
অন্যের উপাসনালয়কে সম্মান করার নির্দেশ
কুরআনে আল্লাহ বলেন—
“তোমরা আল্লাহ ছাড়া যাদের তারা ডাকে তাদের গালি দিও না, ফলে তারা শত্রুতাবশত জ্ঞানের অভাবে আল্লাহকে গালি দেবে।”
(সূরা আনআম, আয়াত ১০৮)
এই আয়াত প্রমাণ করে, মুসলমানদের অন্য ধর্মের উপাসনালয় বা পূজা-পার্বণকে হেয় করা বা আঘাত করা নিষিদ্ধ।
রাসূলুল্লাহ ﷺ এর জীবনে আমরা দেখি—তিনি মদিনার ইহুদি ও খ্রিস্টানদের উপাসনালয় ধ্বংস করেননি, বরং তাদের ধর্ম পালনের স্বাধীনতা নিশ্চিত করেছেন। ইসলামের প্রকৃত শিক্ষা হলো সহাবস্থান ও পারস্পরিক সম্মান।
মসজিদ নির্মাণের নামে উসকানি: ইসলামের দৃষ্টিতে
যারা হিন্দুদের তীর্থস্থানে জোরপূর্বক মসজিদ নির্মাণের দাবি তুলছে, তারা প্রকৃতপক্ষে ইসলামের শিক্ষা লঙ্ঘন করছে।
১. ইসলামে জোরপূর্বক দখল নিষিদ্ধ:
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন—
“যে ব্যক্তি অন্যের এক বিঘা জমি জোরপূর্বক দখল করবে, কিয়ামতের দিন তার গলায় সাত স্তরের জমি বেঁধে দেওয়া হবে।”
(সহিহ বুখারি, সহিহ মুসলিম)
২. মুসলমানদের করণীয় হলো মসজিদে গিয়ে ইবাদত করা, অন্যের ধর্মীয় উপাসনালয়ে হস্তক্ষেপ করা নয়।
৩. যারা এই ধরনের উসকানিমূলক কাজ করছে, তারা মুসলমানদের অজ্ঞতা ব্যবহার করে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা সৃষ্টি করতে চায়। ইসলাম দাঙ্গা-ফ্যাসাদকে কঠোরভাবে নিষেধ করেছে।
আল্লাহ বলেন—
“ফিতনা হত্যার চেয়েও বড় অপরাধ।”
(সূরা বাকারা, আয়াত ১৯১)
চন্দ্রনাথ পাহাড় হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের তীর্থস্থান। এটি পর্যটন স্পট নয় এবং মুসলমানদের জন্য এখানে গিয়ে পর্বত আরোহন বা মসজিদ নির্মাণের কোনো ফরজ বা সুন্নত বিধান নেই। বরং এমন উদ্যোগ ইসলাম বিরোধী, কুরআন-হাদীস পরিপন্থী এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির জন্য মারাত্মক হুমকি।
তাই, যারা ইসলামকে বিতর্কিত করে হিন্দুদের জায়গায় জোরপূর্বক মসজিদ নির্মাণের অপচেষ্টা চালাচ্ছেন, তাদেরকে কুরআন-হাদীসের আলোকে স্পষ্টভাবে হুঁশিয়ারি দেওয়া হল। এ ধরনের কাজ ইসলাম সমর্থন করে না। এতে মুসলমানরা পাপী হবে এবং কিয়ামতের দিন কঠিন শাস্তির মুখোমুখি হবে। এই উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড প্রতিহত করা প্রতিটি শান্তিপ্রিয় নাগরিকের দায়িত্ব।
The post চন্দ্রনাথ পাহাড়ে মসজিদ নির্মাণ প্রসঙ্গ: ইসলাম কী বলে? appeared first on আইন আদালত প্রতিদিন.
]]>The post সিভাসু বিশ্ববিদ্যালয় দিবসে ড. নীতীশের উপস্থিতি ঘিরে তীব্র ক্ষোভ: ছাত্র-শিক্ষক মহলে অস্থিরতার শঙ্কা appeared first on আইন আদালত প্রতিদিন.
]]>আগামী ৭ আগস্ট ২০২৫ তারিখে চট্টগ্রামের চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি অ্যান্ড অ্যানিম্যাল সায়েন্সেস ইউনিভার্সিটির (সিভাসু) বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের অনুষ্ঠানে সাবেক উপাচার্য ড. নীতীশ চন্দ্র দেবনাথের সম্ভাব্য উপস্থিতি নিয়ে ক্যাম্পাসসহ পুরো চট্টগ্রামে তীব্র ক্ষোভ ও সমালোচনার ঝড় উঠেছে। ছাত্র-শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মতে, ফ্যাসিস্ট আমলের সহযোগী হিসেবে পরিচিত এই সাবেক ভিসির উপস্থিতি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশকে অশান্ত করে তুলতে পারে।
উল্লেখ্য, ২০০৬ সালের আগস্টে সিভাসুর আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হলেও বিগত জোট সরকারের আমলে ফ্যাসিস্ট শাসনের কারণে কখনো বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উদযাপন সম্ভব হয়নি। ড. নীতীশ চন্দ্র দেবনাথ সিভাসুর রূপকার জনাব আবদুল্লাহ আল নোমানের সদিচ্ছায় ভিসি হলেও পরবর্তীতে বিভিন্ন সময়ে আওয়ামী ইজম ও ভারতীয় এজেন্ডা বাস্তবায়নের অভিযোগে বিতর্কিত হয়ে ওঠেন।
২০২৩ সালে তিনি দেশের বর্তমান প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইউনুসের বিরুদ্ধে মামলা স্থগিতের বিরোধিতা করে প্রকাশ্যে বিবৃতি দেন। তাছাড়া ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট গণভবনে অনুষ্ঠিত বৈঠকে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে ছাত্র আন্দোলন দমন নিয়ে আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন। এতে ছাত্রসমাজের ক্ষোভ আরও বৃদ্ধি পায়।
বর্তমান উপাচার্য মোহাম্মদ লুৎফুর রহমানসহ একাধিক ব্যক্তি ড. নীতীশের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত। অভিযোগ রয়েছে, শিক্ষক হওয়ার প্রয়োজনীয় যোগ্যতা না থাকা সত্ত্বেও (৪৮তম পজিশনে থাকা, প্রথম বিভাগ না পাওয়া, সংশ্লিষ্ট বিষয়ে মাত্র ৮ নম্বর ভিসি গ্রেসে উত্তীর্ণ) কেবল ময়মনসিংহের লোক হওয়ার কারণে ড. নীতীশ তাঁকে অনৈতিকভাবে সিভাসুর এনাটমি ও হিস্টোলজি বিভাগে নিয়োগ দেন। সেই কৃতজ্ঞতা থেকেই লুৎফুর রহমান আজও ড. নীতীশের প্রচারক ও পৃষ্ঠপোষক হিসেবে সক্রিয় আছেন বলে অভিযোগ।
এছাড়া ড. আহসানুল হক রোকনকে তাঁর ‘ভাবশিষ্য’ হিসেবে পরিচিত করা হয়। জানা যায়, নতুন ফ্যাকাল্টি নিয়োগে অনিয়মের পেছনেও তাঁর প্রভাব কাজ করেছে এবং ভবিষ্যতে উপাচার্য পদের জন্য তদবির চালিয়ে যাচ্ছেন বলে বিশ্ববিদ্যালয় অঙ্গনে গুঞ্জন রয়েছে।
জুলাই বিপ্লবের পর গোটা দেশে পরিবর্তনের হাওয়া বইলেও সিভাসু এখনো প্রাক্তন ভিসি ড. নীতীশের ছায়া থেকে মুক্ত হতে পারেনি। ছাত্র-শিক্ষক মহলের একাংশের মতে, ফ্যাসিস্ট শক্তির লালন-পালনকারী ড. নীতীশের ক্যাম্পাসে আগমন বিশ্ববিদ্যালয়ের চেতনাকে কলঙ্কিত করবে এবং অস্থিরতা সৃষ্টি করবে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক শিক্ষার্থী বলেন, “ডক্টর নীতীশ এই ক্যাম্পাসে ইন্ডিয়ান এজেন্ডা বাস্তবায়ন করেছেন। উনি আসলে ক্যাম্পাস কলঙ্কিত হবে। জুলাই বিপ্লবের চেতনা বিরোধী এমন ষড়যন্ত্র আমরা মেনে নেব না।”
The post সিভাসু বিশ্ববিদ্যালয় দিবসে ড. নীতীশের উপস্থিতি ঘিরে তীব্র ক্ষোভ: ছাত্র-শিক্ষক মহলে অস্থিরতার শঙ্কা appeared first on আইন আদালত প্রতিদিন.
]]>The post মাইলস্টোন কলেজে ২৭ জুলাই থেকে ক্লাস শুরু appeared first on আইন আদালত প্রতিদিন.
]]>বুধবার (২৩ জুলাই) রাতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের জনসংযোগ কর্মকর্তা শাহ বুলবুল। তিনি জানান, প্রতিষ্ঠানটি বড় ধাক্কা খেয়েছে। শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বস্তি এবং একাডেমিক ক্ষতি কাটিয়ে ওঠার জন্য আমরা ধীরে ধীরে শিক্ষা কার্যক্রম চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
এর আগে, গত সোমবার (২১ জুলাই) দুপুর ১টা ৬ মিনিটে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর একটি প্রশিক্ষণ বিমান রাজধানীর উত্তরার দিয়াবাড়ি এলাকায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের একটি ভবনের উপর আছড়ে পড়ে। এতে সঙ্গে সঙ্গেই আগুন ধরে যায়। মর্মান্তিক এই ঘটনায় বহু হতাহতের ঘটনাও ঘটেছে। ফলে পরদিন থেকেই কলেজ চত্বরে বন্ধ থাকে সব ধরনের শিক্ষা কার্যক্রম। দুর্ঘটনার সময় ক্যাম্পাসে উপস্থিত শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তবে প্রশাসন ও অভিভাবকদের সঙ্গে আলোচনা করে প্রতিষ্ঠানটি ধীরে ধীরে পুনরায় খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
এদিকে, মাইলস্টোন কলেজে বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় নিহতদের সংখ্যা নিয়ে বিভ্রান্তি এড়াতে ক্যাম্পাসেই একটি নিয়ন্ত্রণ কক্ষ স্থাপনের নির্দেশ দিয়েছেন কলেজের দুই উপদেষ্টা—এ তথ্য জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
The post মাইলস্টোন কলেজে ২৭ জুলাই থেকে ক্লাস শুরু appeared first on আইন আদালত প্রতিদিন.
]]>The post প্রাথমিকে প্রধান শিক্ষকের শূন্য পদে দ্রুত নিয়োগের নির্দেশ appeared first on আইন আদালত প্রতিদিন.
]]>সোমবার (১৪ জুলাই) বিকেলে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এক বৈঠকে তিনি এ নির্দেশ দেন।
মঙ্গলবার (১৫ জুলাই) প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার বৈঠকের বিষয়টি নিশ্চিত করে এসব তথ্য জানান।
উপদেষ্টা বিধান রঞ্জন রায় বলেন, ‘প্রাথমিক শিক্ষা ক্ষেত্রে অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য অনেক অর্থ ব্যয় হয়েছে। কিন্তু মূল যে উদ্দেশ্য শিক্ষার মান বৃদ্ধি, সেটা সাধন হয়নি। আমরা মূল্যায়ন করে স্কুলগুলোকে র্যাংকিং করছি। যে সব স্কুলের বাচ্চারা পিছিয়ে আছে তাদের জন্য বিশেষ কর্মসূচি নিচ্ছি।’
তিনি জানান, মূল্যায়নে দেখা গেছে যেসব স্কুলের মান ভালো সেখানে প্রধান শিক্ষকের যোগ্যতা ও তার সঙ্গে অন্য সহকর্মীদের সম্পর্ক-ব্যবহার বড় ধরনের ভূমিকা রাখছে। দেশের ৩২ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পদ বর্তমানে শূন্য রয়েছে। এ বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলমান বলেও প্রধান উপদেষ্টাকে অবহিত করেন তিনি।
সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) সঙ্গে সমন্বয় করে অতিদ্রুত বিজ্ঞপ্তি দিয়ে প্রধান শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়া সম্পন্নের নির্দেশ দেন তিনি। এর পাশাপাশি শিক্ষকদের বদলির ক্ষেত্রেও নীতিমালায় পরিবর্তন আনার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা।
তিনি বলেন, ‘অনেক সময় এক উপজেলায় নিয়োগ পেয়ে পরে অন্য উপজেলায়, শহরের কাছে কোনো স্কুলে শিক্ষকরা বদলির জন্য চেষ্টা করেন, তারা সুপারিশ-তদবির নিয়ে বিভিন্ন মহলে ঘোরেন। এক্ষেত্রে একটি সুস্পষ্ট নীতিমালা ও প্রক্রিয়া থাকতে হবে। কেবল ওই প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়েই তিনি বদলি হতে পারবেন।’
The post প্রাথমিকে প্রধান শিক্ষকের শূন্য পদে দ্রুত নিয়োগের নির্দেশ appeared first on আইন আদালত প্রতিদিন.
]]>