
সীতাকুণ্ড: জাতীয় ও আন্তর্জাতিক যুব দিবস ২০২৫ উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে সীতাকুণ্ডের শ্রেষ্ঠ সংগঠক হিসেবে সম্মাননা পেয়েছেন তরুণ সমাজকর্মী ও সংগঠক মোঃ ফরহাদ হোসেন রিফাত।
রিফাত বর্তমানে দিশারী মিডিয়াসেলের সাধারণ সম্পাদক, ইয়ুথ এম্বাসেডর গ্রুপের কো-অর্ডিনেটর এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল সীতাকুণ্ড পৌরসভার সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়া তিনি লিও ক্লাব অব চিটাগং বে অফ বেঙ্গল-এর ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং দিশারী যুব ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ-এর সহ তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সীতাকুণ্ড উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মোঃ তাজাম্মাল হোসেন এবং প্রধান অতিথি ছিলেন সীতাকুণ্ড উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ ফখরুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা পাবলিক প্রসিকিউটর ও দিশারী যুব ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান এডভোকেট মোঃ সরোয়ার হোসাইন লাভলু, সীতাকুণ্ড উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আহসান হাবিবসহ স্থানীয় বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
অনুষ্ঠানে সাতটি যুব সংগঠনকে ‘শ্রেষ্ঠ সংগঠন’, দুইজন উদ্যোক্তাকে ‘শ্রেষ্ঠ উদ্যোক্তা’, এবং দুইজন সংগঠককে ‘যুব সংগঠক’ পুরস্কার প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানের সভাপতি মোঃ তাজাম্মাল হোসেন বলেন—
“যুব সমাজ একটি দেশের অগ্রযাত্রার প্রধান চালিকা শক্তি। আজকে যেসব সংগঠন, উদ্যোক্তা ও সংগঠক পুরস্কৃত হয়েছেন, তারা প্রমাণ করেছেন যে নিষ্ঠা, একাগ্রতা ও সৃজনশীলতার মাধ্যমে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক যুব দিবসের মূল শিক্ষা হচ্ছে—যুবদেরকে স্বপ্ন দেখানো, দক্ষতা উন্নয়ন করা এবং প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের মাধ্যমে দেশের উন্নয়নে যুক্ত করা।”
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি মোঃ ফখরুল ইসলাম বলেন—
“যুব দিবস কেবল আনুষ্ঠানিকতা নয়, এটি একটি বার্তা—যুবদের মধ্যে যে সম্ভাবনা আছে, সেটিকে কাজে লাগিয়ে একটি সমৃদ্ধ ও আধুনিক বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব। আজ যারা পুরস্কার পেয়েছেন, তারা অন্যদের জন্য অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত। আমরা চাই, প্রতিটি তরুণ নিজেকে কর্মসংস্থান সৃষ্টিকারী, সমাজ পরিবর্তনকারী এবং দেশের উন্নয়নের অংশীদার হিসেবে গড়ে তুলুক।”
অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি এডভোকেট মোঃ সরোয়ার হোসাইন লাভলু বলেন—
“যুব সমাজই একটি জাতির প্রাণশক্তি। প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার, উদ্ভাবনী চিন্তা, এবং পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে আমরা একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারি। আজকের যুবশক্তিকে শুধু কর্মসংস্থান নয়, কর্মসৃজনেও এগিয়ে আসতে হবে। তাহলে ‘প্রযুক্তি নির্ভর আধুনিক বাংলাদেশ’ স্বপ্ন নয়—বাস্তবতা হবে।”
অনুষ্ঠান শেষে পুরস্কারপ্রাপ্ত সংগঠন, উদ্যোক্তা ও সংগঠকদের হাতে সম্মাননা স্মারক ও সনদপত্র তুলে দেওয়া হয়।