September 6, 2026, 1:24 pm

মাঠে নেমেছে সেনাবাহিনীসহ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • Update Time : Sunday, February 8, 2026,
  • 130 Time View
Spread the love

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং গণভোট অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকে সারাদেশে মাঠে নেমেছে সেনাবাহিনীসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। নির্বাচনী এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তারা দায়িত্ব পালন করবেন। একইসঙ্গে নির্বাচনী অপরাধ প্রতিরোধ ও আচরণবিধি নিয়ন্ত্রণে মাঠে থাকবেন ১ হাজার ৫১ জন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট।

 

রোববার (০৮ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচন কমিশন (ইসি) এ তথ্য জানায়। জ্যেষ্ঠ নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদও নির্বাচনের প্রস্তুতি ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সাংবাদিকদের বিস্তারিত জানান। ইসি জানায়, সেনাবাহিনী আগে থেকেই মাঠে রয়েছে। তবে আজকে থেকে তাদের তৎপরতা আরও বাড়বে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসারের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করবে। ইসির কেন্দ্রীয় সমন্বয় সেল সার্বক্ষণিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করবে এবং ‘সুরক্ষা’ অ্যাপের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদান করা হবে।

 

 

মাঠের পরিস্থিতি বর্তমানে নির্বাচনের জন্য সম্পূর্ণ অনুকূলে রয়েছে উল্লেখ করে নির্বাচন কমিশনার রহমানেল মাছউদ বলেন, আমরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে বৈঠক করেছি। তারা নিশ্চিত করেছেন যে দেশের পরিস্থিতি সন্তোষজনক এবং নির্বাচনের জন্য সহায়ক। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পরিপত্র অনুযায়ী, এবারের নির্বাচনে বিভিন্ন বাহিনীর মোট ৯ লাখ সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। বাহিনীভিত্তিক সদস্য সংখ্যাগুলো হচ্ছে— আনসার ও ভিডিপি প্রায় ৫ লাখ ৫০ হাজার সদস্য। পুলিশ প্রায় ১ লাখ ৫০ হাজার সদস্য। সশস্ত্র বাহিনী ১ লাখ সদস্য। বিজিবি ৩৫ হাজার সদস্য। বিজিবি, র‌্যাব, এপিবিএন এবং আনসার ব্যাটালিয়ন জেলা ও উপজেলা ভিত্তিক মোবাইল এবং স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে কাজ করবে। উপকূলীয় এলাকার নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবে কোস্টগার্ড।

 

সাধারণ ও ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রভেদে নিরাপত্তা সদস্য মোতায়েনে ভিন্নতা আনা হয়েছে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। মেট্রোপলিটন এলাকার বাইরে সাধারণ কেন্দ্রে ১৬-১৭ জন এবং ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে ১৭-১৮ জন। মেট্রোপলিটন এলাকা সাধারণ কেন্দ্রে ১৬ জন এবং ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে ১৭ জন। দুর্গম এলাকা ২৫টি জেলার দুর্গম কেন্দ্রগুলোতে ১৬-১৮ জন সদস্য নিয়োজিত থাকবেন।

 

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। ভোট শুরুর আগে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টায় সব ধরনের নির্বাচনী প্রচার শেষ করতে হবে। ২৯৯টি আসনে এবার মোট প্রার্থী সংখ্যা ২ হাজার ৯ জন, যার মধ্যে আড়াই শতাধিক স্বতন্ত্র প্রার্থী রয়েছেন। মোট ১৩ কোটি ভোটারের জন্য ৪২ হাজার ৭৭৯টি ভোটকেন্দ্র প্রস্তুত করা হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Translate »