
প্রস্তাবিত আচরণবিধি অনুযায়ী ইসির অধীনে প্রচারণা, দলের কাছে অঙ্গীকার নামা রাখা হচ্ছে ও ভোটকেন্দ্র স্থাপনে ডিসি-এসপিদের নেতৃত্বে কমিটি বাদ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
ইসির সংশ্লিষ্টরা জানান, ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ২০২৫ সালের দল ও প্রার্থীদের জন্য আচরণবিধি এবং ভোটকেন্দ্র স্থাপন নীতিমালা অনুমোদন করেছে নির্বাচন কমিশন। কমিশন বলছে, আচরণ বিধিমালার সঙ্গে সংস্কার কার্যক্রমের কিছু জড়িত। সেটা হলেই তা চূড়ান্ত করা হবে। প্রস্তাবিত আচরণবিধিতে ভোটে অংশ নেওয়া প্রার্থীদের জন্য ইসির তত্ত্বাবধানে প্রচারণা, আচরণবিধি মেনে চলার বিষয়ে দল ও প্রার্থীর প্রত্যয়নপত্রসহ কয়েকটি নতুন বিষয় যুক্ত করা হয়েছে। এছাড়া ভোটকেন্দ্র স্থাপন নীতিমালার খসড়া অনুযায়ী ডিসি-এসপিকে বাদ দিয়ে ইসির নিজস্ব কর্মকর্তাদের রাখা হচ্ছে।
তিনি বলেন, বিধিমালা ও নীতিমালা বিশদভাবে আলোচনা হয়েছে। খসড়া নীতিগতভাবে অনুমোদন হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কমিটি এ নিয়ে কাজ করে কমিশনের কাছে উপস্থাপন করবে। তবে সংস্কার কমিশনের সুপারিশ ও অপরাপর সংশোধনীর বিষয় আছে। ততদিন পর্যন্ত হয়ত আমাদের অপেক্ষা করা লাগতে পারে এই জিনিসগুলোর চূড়ান্ত করার জন্য।
সভার আলোচনা নিয়ে ব্রিফিংয়ে ইসি সানাউল্লাহ বলেন, উল্লেখযোগ্য সংশোধনের মধ্যে- জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটকেন্দ্র স্থাপন ও ব্যবস্থাপনা নীতিমালায় যে কমিটি ছিল আমরা তা বিলুপ্ত করেছি। এটা কমিশনের অধীনে আনা হয়েছে। দ্বিতীয়ত ইভিএম সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো আমরা বাতিল করেছি। যেহেতু ইভিএম নেই।
ইসির অনুমোদনের পর গেজেট প্রকাশের অপেক্ষায় থাকবে। তবে সংস্কার সুপারিশ চূড়ান্ত হলেই এ সংক্রান্ত গেজেট করা হতে পারে বলে জানান ইসি কর্মকর্তারা।