
দখলদার ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধের পর ইরানকে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দিয়েছে চীন। যেগুলো ইতিমধ্যে ইরানে এসে পৌঁছেছে। ইসরায়েলের সঙ্গে ১২ দিনের যুদ্ধে ইরানের অনেক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ব্যবস্থা ধ্বংস হয়।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে অপর এক আরব কর্মকর্তা বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের যেসব আরব মিত্র দেশ রয়েছে, তারা ইরান-চীনের এই সামরিক সহায়তা নিয়ে অবগত। এছাড়া ইরান যে চীনের সহায়তা পাচ্ছে সেটি যুক্তরাষ্ট্রকেও জানিয়েছে তারা।
চীন ইরানের সবচেয়ে বড় তেল আমদানিকারক। যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, ইরানের ৯০ শতাংশ তেলই চীনে যায়।
দখলদার ইসরায়েলের সঙ্গে যখন ইসরায়েলের যুদ্ধ চলছিল তখন অনেক পশ্চিমা দেশ বলেছিল, ইরানের কাছ থেকে রাশিয়া ও চীন দূরত্ব বজায় রাখছে। কিন্তু যুদ্ধ শেষ হওয়ার পরই ইরানকে পুনর্গঠনে সহায়তা শুরু করেছে বেইজিং।
যুদ্ধের শুরুতেই ইসরায়েল ইরানের অনেক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস করে দেয়। এতে করে ইরানের আকাশে নিজেদের কর্তৃত্ব স্থাপন করতে সমর্থ হয় দখলদাররা। এ কারণে ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান, পরমাণু বিজ্ঞানীসহ অনেক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাকে হত্যা করতে পারে তারা। ইরানের সরকার জানিয়েছে, ১২ দিনের এ যুদ্ধে ইসরায়েল ১ হাজার ৬ ইরানিকে হত্যা করেছে।