
আশুলিয়ার শ্রীপুরে তাহফিজুল কুরআনিল কারিম ফাজিল মাদরাসা ও আসিয়া আশরাফ তাহফিজুল কুরআনিল কারিম মহিলা মাদরাসা( সাবেক দারুল ইহসান ) সম্প্রতি চাদাঁদাবি ও দখলের চেষ্টা করে হামলা ও ভাংচুর চালিয়েছে দুর্বত্তরা। সোমবার ৯মার্চ সকাল পৌনে এগারোটার দিকে আচমকা মিছিল সহকারে প্রায় অর্ধ শতাধিক ব্যাক্তি দেশী অস্ত্র সস্ত্রে সুসজ্জিত হয়ে হামলা চালায়। তারা মাদ্রাসা কমপ্লেক্সর প্রধান গেইটটি কুপিয়ে ভেঙে ভিতরে প্রবেশ করে। হামলাকারীরা অফিস কক্ষ,অভিভাবক ওয়েটিং রুমসহ বেশ কয়েকটি কক্ষের দরজা জানালা ভাংচুর করে। এ সময় তাদের হামলায় অত্র প্রতিষ্ঠানের ৫/৭জন নিরাপত্তরক্ষাী আহত হয়েছে। আহতদের স্থানীয় ভাবে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। অত্র প্রতিষ্ঠানের সিকিউরিটি ইনচার্জ দীন মোহাম্মদ বলেন, কোন কিছু বুঝে উঠার আগেই একদল সন্ত্রাসী দেশী অস্ত্রেসস্ত্রে সুসজ্জিত হামলা চালায়। পরে খবর পেয়ে পুলিশ সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে এলে তারা পালিয়ে যায়। এ ব্যাপারে দারুল ইহসানের ট্রাস্টি হফিজুল কুরআনিল কারিম ফাজিল মাদরাসা ও আসিয়া আশরাফ তাহফিজুল কুরআনিল কারিম মহিলা মাদরাসার দায়িত্বপ্রাপ্ত সৈয়দ সাজিদ জানান, আমাদের এই প্রতিষ্ঠানটি একটি চক্র চাদাঁবাজি ও দখলের পায়তারা করছে এলক্ষ্যে স্বৈরাচারের দোষর মারুফ হোসেন মুকুল, সালেহ উদ্দিন গং, তাতীদলের ঢাকা জেলা কমিটির সভাপতি জাকির হোসেন এবং আশুলিয়া থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল গফুর মিয়ার নেতৃত্বে হামলা করা হয়েছে। তিনি আরো বলেন গফুর বাহিনীর মব সৃষ্টিকারি সোলেমান সজল, সমির, আলিম, জুয়েল,মাহে আলম, সোহাগ, লিটন, নাইম, আশরাফ, হোসেন, বুলেট, হকার পিচ্চি মনির, সোহেল, মুরগী জহির সহ প্রায় ৫০/৬০ জনের একটি দল আমাদের মাদ্রাসার মেইন গেইট ভেঙে ভিতরে প্রবেশ করে ভাংচুর চালায়। এরা মূলত অত্র এলাকার চিন্হিত চাঁদাবাজ ও মব সৃষ্টিকরে আতংক ছড়িয়ে নিজেদের স্বার্থ হাসিল করে। হামলায় জড়িতদের ফুটেজ ইতিমধ্যে সেনাবাহিনী বাহিনির হাতে রয়েছে, বিষয়টি তারা অনুসন্ধান করছে। এ ব্যাপারে আশুলিয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করা হযেছে। এ বিষয়ে আশুলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ রুবেল হাওলাদার বলেন, হামলাকারী আসামিদের দূরত্ব গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। অন্যদিকে গফুর বাহিনির এই গ্রুপ ডিইপিজের সামনে ফুটপাতের হকার দের কাছ থেকে গোপনে চাঁদাবাজি করে আসছে চাদাঁ না দিলে হকারদের দোকান তুলে দিচ্ছে এদের নেতৃত্ব দিচ্ছে সজল আলিম সমীর ও গিয়াস।