The post এক নজরে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট appeared first on আইন আদালত প্রতিদিন.
]]>বাজেটে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা। আর অনুদানসহ সামগ্রিক বাজেট ঘাটতি ধরা হয়েছে ২ লাখ ৩৬ হাজার ৮৫০ কোটি টাকা, যা মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ৩ দশমিক ৫ শতাংশ।
আগামী অর্থবছরে মোট রাজস্ব ও বৈদেশিক অনুদান থেকে আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৭ লাখ ১ হাজার ১৫০ কোটি টাকা। এর মধ্যে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্য ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা এবং বৈদেশিক অনুদান ৬ হাজার ১৫০ কোটি টাকা।
মোট রাজস্বের মধ্যে কর রাজস্ব থেকে আদায়ের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ লাখ ২৯ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) থেকে ৬ লাখ ৪ হাজার কোটি টাকা এবং এনবিআর-বহির্ভূত উৎস থেকে ২৫ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহের পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়া কর-বহির্ভূত রাজস্ব থেকে আয়ের লক্ষ্য ধরা হয়েছে ৬৬ হাজার কোটি টাকা।
নতুন অর্থবছরের বাজেটে পরিচালন ব্যয়ের জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৬ লাখ ৫ হাজার ৭৪০ কোটি টাকা। এর মধ্যে আবর্তক ব্যয় ৫ লাখ ৫১ হাজার ৮৭ কোটি টাকা। সুদ পরিশোধেই ব্যয় হবে ১ লাখ ২৭ হাজার ৫০০ কোটি টাকা, যা মোট ব্যয়ের একটি বড় অংশ। এর মধ্যে দেশিয় ঋণের সুদ ১ লাখ ৫ হাজার কোটি টাকা এবং বৈদেশিক ঋণের সুদ ২২ হাজার ৫০০ কোটি টাকা।
উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের জন্য মোট ৩ লাখ ১৬ হাজার ৭৫ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এর মধ্যে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) জন্য বরাদ্দ ৩ লাখ কোটি টাকা। এছাড়া বিভিন্ন স্কিম, বিশেষ প্রকল্প এবং খাদ্যের বিনিময়ে কর্মসূচির জন্যও পৃথক বরাদ্দ রাখা হয়েছে।
বাজেটে অনুদান বাদ দিলে সামগ্রিক ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়াবে ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকা, যা জিডিপির ৩ দশমিক ৬ শতাংশের সমান। আগামী অর্থবছর ঘাটতি মেটাতে সরকার বৈদেশিক ও অভ্যন্তরীণ উভয় উৎস থেকেই ঋণ নেবে। বৈদেশিক ঋণ থেকে নিট অর্থায়নের লক্ষ্য ধরা হয়েছে ১ লাখ ৯ হাজার ৮৫০ কোটি টাকা। এ জন্য নতুন করে ১ লাখ ৫৫ হাজার ৮৫০ কোটি টাকা ঋণ নেওয়া হবে, বিপরীতে ৪৬ হাজার কোটি টাকা পরিশোধ করা হবে।
অন্যদিকে, অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে নিট ১ লাখ ২৭ হাজার কোটি টাকা ঋণ নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এর মধ্যে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে নেওয়া হবে ১ লাখ ১২ হাজার কোটি টাকা। ব্যাংক-বহির্ভূত উৎস থেকে নিট ঋণ নেওয়া হবে ১৫ হাজার কোটি টাকা, যার মধ্যে জাতীয় সঞ্চয়পত্র থেকে ৮ হাজার ৫০০ কোটি টাকা সংগ্রহের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরে দেশের জিডিপির আকার ৬৮ লাখ ৩০ হাজার ২৪ কোটি টাকা হবে বলে প্রাক্কলন করা হয়েছে। সরকারের প্রত্যাশা, রাজস্ব আহরণ বৃদ্ধি, উন্নয়ন ব্যয়ের গতি বাড়ানো এবং বিনিয়োগ সম্প্রসারণের মাধ্যমে অর্থনীতিকে উচ্চ প্রবৃদ্ধির ধারায় ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে।
The post এক নজরে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট appeared first on আইন আদালত প্রতিদিন.
]]>The post ইতিহাসের সর্বোচ্চ বাজেট পেশ করতে যাচ্ছে সরকার appeared first on আইন আদালত প্রতিদিন.
]]>
গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে বিজয়ের পর বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের এটি প্রথম বাজেট। অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, ‘অর্থনৈতিক গণতান্ত্রিকীকরণ ও বিকেন্দ্রীকরণ: ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির পথে বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে এবারের বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে। প্রস্তাবিত বাজেটে অবকাঠামো উন্নয়নের তুলনায় মানবসম্পদ উন্নয়নে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এ কারণে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে সর্বোচ্চ বরাদ্দ রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি দেশীয় শিল্পের বিকাশ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, সামাজিক সুরক্ষা, উদ্যোক্তা উন্নয়ন এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার বিষয়েও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
আসন্ন বাজেটে উদ্যোক্তা উন্নয়ন তহবিলে ২২৫ কোটি টাকা এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের (এসএমই) জন্য ২ হাজার কোটি টাকার তহবিল গঠনের প্রস্তাব থাকতে পারে। সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নতুন বেতন কাঠামোর আংশিক বাস্তবায়নের ঘোষণাও আসতে পারে। এছাড়া ২৫ লাখ নাগরিকের জন্য ‘ই-হেলথ কার্ড’ কর্মসূচি চালুর উদ্যোগও নেওয়া হচ্ছে। সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ডসহ বেশ কয়েকটি নতুন কর্মসূচি যুক্ত করার পাশাপাশি বিদ্যমান কর্মসূচিগুলোতে বরাদ্দ বাড়ানো হতে পারে। পাশাপাশি বিদেশে ১ কোটি মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যও নির্ধারণ করা হয়েছে।
যুবসমাজকে মাদক, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ থেকে দূরে রাখতে ও সৃজনশীল অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে উৎসাহ দেওয়ার লক্ষ্যে ৩০০ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব থাকতে পারে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, আগামী অর্থবছরে মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) আকার ৬৮ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা ধরা হয়েছে। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ দশমিক ৫ শতাংশ। মূল্যস্ফীতি ৭ দশমিক ৫ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। সম্ভাব্য বাজেটে মোট রাজস্ব আহরণের লক্ষ্য ধরা হয়েছে ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা। বাকি অর্থ ঋণ ও বৈদেশিক সহায়তা থেকে সংগ্রহ করা হবে। বাজেট ঘাটতি দাঁড়াতে পারে ২ লাখ ৫১ হাজার কোটি টাকা, যা জিডিপির ৩ দশমিক ৬ শতাংশ।
এবারের বাজেটের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হচ্ছে ব্যবসা পরিচালনা সহজ করার উদ্যোগ। লাইসেন্স, অনুমোদন ও কর ব্যবস্থাপনায় সংস্কার আনার পাশাপাশি ‘বাংলাবিজ’ নামে একটি সমন্বিত ওয়ান-স্টপ সার্ভিস চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। এর মাধ্যমে ব্যবসাসংক্রান্ত বিভিন্ন সেবা ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পাওয়া যাবে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কার্যক্রম আরও ব্যাপকভাবে অনলাইনে আনার পরিকল্পনা রয়েছে। কর রিটার্ন অনলাইনে দাখিল, সরাসরি ব্যাংক হিসাবে কর ফেরত এবং কর-সংক্রান্ত বিরোধ দ্রুত নিষ্পত্তির ব্যবস্থা চালুর প্রস্তাব আসতে পারে।
অর্থনীতিবিদেরা বলছেন, চলতি বছরের মে মাসে মূল্যস্ফীতি ৯ দশমিক ৪২ শতাংশে পৌঁছেছে। এ অবস্থায় আগামী অর্থবছরে তা ৭ দশমিক ৫ শতাংশে নামিয়ে আনা সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হবে। তাদের মতে, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, রাজস্ব আহরণ বৃদ্ধি এবং বেসরকারি বিনিয়োগে গতি আনা ছাড়া উচ্চ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য অর্জন কঠিন হবে। পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের সদস্য (সচিব) ড. মনজুর হোসেন বলেন, সরকারের নির্বাচনি ইশতেহারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে। এতে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, বিনিয়োগ বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির সম্প্রসারণকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। এদিকে বাজেট বাস্তবায়নে রাজস্ব সংগ্রহ, বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার মতো চ্যালেঞ্জ থাকলেও নীতিনির্ধারকেরা আশা করছেন, চলমান সংস্কার কার্যক্রম অর্থনীতিতে নতুন গতি সঞ্চার করবে।
The post ইতিহাসের সর্বোচ্চ বাজেট পেশ করতে যাচ্ছে সরকার appeared first on আইন আদালত প্রতিদিন.
]]>The post ৫০০ বিলিয়ন ডলার ছাড়ালো বাংলাদেশের অর্থনীতি appeared first on আইন আদালত প্রতিদিন.
]]>এক বছর আগে দেশের অর্থনীতির আকার ছিল ৪৫৬ বিলিয়ন ডলার। সেই হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে অর্থনীতির আকার উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।
বিবিএসের তথ্যমতে, চলতি অর্থবছরে দেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৪ দশমিক ১৪ শতাংশ। আগের অর্থবছরে এ হার ছিল ৩ দশমিক ৪৯ শতাংশ। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থা প্রবৃদ্ধি ৪ শতাংশের নিচে থাকার পূর্বাভাস দিলেও প্রাথমিক হিসাবে তা ছাড়িয়ে গেছে।
খাতভিত্তিক হিসাবে কৃষি ও সেবা খাত প্রবৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। চলতি অর্থবছরে কৃষি খাতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ২ দশমিক ৭৮ শতাংশ এবং সেবা খাতে ৪ দশমিক ৫৯ শতাংশ।
অন্যদিকে, শিল্প খাতের প্রবৃদ্ধি কিছুটা কমেছে। এ খাতে প্রবৃদ্ধি দাঁড়িয়েছে ২ দশমিক ৮৬ শতাংশ, যা আগের অর্থবছরে ছিল ৩ দশমিক ৭১ শতাংশ। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, রপ্তানি প্রবৃদ্ধি শ্লথ হওয়া এবং উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে অভ্যন্তরীণ চাহিদা কমে যাওয়ায় শিল্প খাতের প্রবৃদ্ধিতে প্রভাব পড়েছে।
অর্থনীতিবিদদের মতে, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের মধ্যেও ৫০০ বিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে পৌঁছানো বাংলাদেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।
The post ৫০০ বিলিয়ন ডলার ছাড়ালো বাংলাদেশের অর্থনীতি appeared first on আইন আদালত প্রতিদিন.
]]>The post ৯৫ বার পেছাল রিজার্ভ চুরির মামলার প্রতিবেদন appeared first on আইন আদালত প্রতিদিন.
]]>The post ৯৫ বার পেছাল রিজার্ভ চুরির মামলার প্রতিবেদন appeared first on আইন আদালত প্রতিদিন.
]]>The post সয়াবিন তেলের দাম বাড়ল appeared first on আইন আদালত প্রতিদিন.
]]>বুধবার (২৯ এপ্রিল) বিকেলে সচিবালয়ে ভোজ্যতেলের মূল্য পর্যালোচনা সংক্রান্ত বৈঠক শেষে ব্রিফিংকালে এ তথ্য জানান তিনি।
মন্ত্রী বলেন, বোতলজাত তেলের পাশাপাশি খোলা তেলেও লিটারে ৪ টাকা বৃদ্ধি করে ১৭৫ টাকা থেকে ১৭৯ টাকায় বিক্রি হবে।
তিনি আরো বলেন, রমজান মাস থেকেই আন্তর্জাতিক বাজারে সয়াবিন তেলের দাম বাড়তে শুরু করে। ওই সময় থেকে আমদানিকারক ও রিফাইনাররা মূল্য সমন্বয়ের জন্য সরকারের কাছে অনুরোধ জানিয়ে আসছিলেন।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, বৈশ্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় ভোক্তারা এ সিদ্ধান্তকে ইতিবাচকভাবে নেবেন। একই সঙ্গে এই সমন্বয়ের ফলে আমদানিকারক ও রিফাইনারদের লোকসানের চাপ কিছুটা কমবে এবং বাজারে সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকবে।
বৈঠকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা, ভোজ্যতেল শিল্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট রিফাইনার ও আমদানিকারকদের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
The post সয়াবিন তেলের দাম বাড়ল appeared first on আইন আদালত প্রতিদিন.
]]>The post ইউরেনিয়াম লোডিংয়ে রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্রে উৎপাদন প্রক্রিয়া শুরু appeared first on আইন আদালত প্রতিদিন.
]]>মঙ্গলবার বিকেলে প্রকল্প সাইটে উদ্বোধন অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ, তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম।
সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এ প্রকল্প বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠান রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক শক্তি কর্পোরেশন-রোসাটমের মহাপরিচালক আলেক্সি লিখাচেভ। অনুষ্ঠানে আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) মহাপরিচালক রাফায়েল গ্রসির ধারণ করা বক্তব্য উপস্থাপন করা হয়।
সম্মানিত অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ, তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব আনোয়ার হোসেন।
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম ও উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ ফুয়েল লোডিংয়ের উদ্বোধন করেন।
রাশিয়ার প্রযুক্তি, অর্থনৈতিক ও কারিগরি সহযোগিতায় পাবনা জেলার ঈশ্বরদীর রূপপুরে দুই ইউনিট বিশিষ্ট এই ‘রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র’টি বাস্তবায়ন হচ্ছে।
রূপপুর
পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের মূল স্থাপনা রিয়্যাক্টর প্রেসার ভেসেল বা চুল্লিপাত্র। এই চুল্লিপাত্রেই জ্বালানি ইউরেনিয়াম লোড বা সংযোজন করা শুরু হলো। এর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ বিশ্বের ৩৩তম পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী দেশ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করলো। পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা হয় ইউরেনিয়াম-২৩৫ নামের মৌলিক পদার্থ। খনি থেকে সংগ্রহ করে ছোট আকৃতিতে একত্রিত করা কয়েকশ পেলেটকে একত্রিত করে একটি ধাতব টিউবে ঢোকানো হয়। যাকে বলা হয় ইউরেনিয়াম রড। অনেকগুলো ফুয়েল রড একত্রিত করে তৈরি করা হয় ফুয়েল এসেম্বলি। একটি এসেম্বলি লম্বায় সাড়ে তিন থেকে সাড়ে চার মিটার দৈর্ঘ্যের হয়। আরএনপিপির রিয়্যাক্টর-১ এ ১৬৩টি এসেম্বলি সংযোজন বা লোড করা হবে। এ ইউরেনিয়াম রাশিয়া থেকে আনা হয়েছে। চুক্তি অনুযায়ী আরএনপিপির পুরো মেয়াদেই এই জ্বালানি সরবরাহ করবে রাশিয়া।
সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র থেকে জানা যায়, পারমাণবিক চুল্লিতে ইউরেনিয়াম-২৩৫ লোড করতে সাধারণত সময় লাগে ২১ থেকে ৩০ দিন। এরপর ইউরেনিয়াম রডকে সঠিক অবস্থানে নিতে হয় এবং নিউট্রন হিট করে ফিশন বিক্রিয়া শুরু হয়। সেটিকে নিয়ন্ত্রণ করে চেইন রিয়াকশনে যেতে হয়। এই প্রক্রিয়া শেষ করতে সময় লাগে কমপক্ষে ৩৪ দিন। এই ফিশন বিক্রিয়ায় উৎপন্ন তাপকে কাজে লাগিয়ে পানি ব্যবহার করে বাষ্প তৈরি করা হয়। এরপর বাষ্পকে বিশেষভাবে প্রবাহিত করা হয় টারবাইনে। টারবাইন ঘুরলেই ধীরে ধীরে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হবে। প্রথমে এক শতাংশ বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হলে এটিকে দুই শতাংশ থেকে ৩০ শতাংশ পর্যন্ত নেওয়া হবে। এরপরই বিদ্যুৎ যাবে গ্রিডে। পুরো প্রক্রিয়াটি শেষ করতে সময় লাগে ৪০ দিন। এর প্রতিটি ধাপেই পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলতে থাকে।
সূত্রগুলো আরও জানায়, ফুয়েল লোডের পর ধাপে ধাপে প্রক্রিয়াগুলো শেষ করে আগামী জুলাইয়ের শেষে বা আগস্টে বাণিজ্যিকভাবে ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হবে। এরপর পর্যায়ক্রমে প্রক্রিয়াগুলো শেষ করে চলতি বছরের (২০২৬ সালের) ডিসেম্বর অথবা ২০২৭ সালের শুরুতে পুরো মাত্রায় উৎপাদনে যাওয়া সম্ভব হবে।
এদিকে, রূপপুর প্রকল্পের নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার পর কেন্দ্রটি পরিচালনা করবে নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্লান্ট কোম্পানি অব বাংলাদেশ বা এনপিসিবিএল। চুক্তি অনুযায়ী, এর জনবল কাঠামো ও তাদের প্রশিক্ষণ দিয়েছে রাশিয়া। শুরুতে রাশিয়ার অপারেটরদের নেতৃত্বে বিদ্যুৎ চুল্লিটি চালু করা হবে। যেখানে সহযোগী হিসেবে থাকবেন বাংলাদেশিরা। তিন বছরের মাথায় ধীরে ধীরে নেতৃত্বে আসবেন তারা। পাঁচ-সাত বছরে পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হলে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রটি পরিচালনা করবেন বাংলাদেশিরাই।
রাশিয়ার অর্থনৈতিক ও কারিগরি সহায়তায় রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রটি নির্মাণ করছে দেশটির রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক শক্তি কর্পোরেশন-রোসাটমের প্রকৌশল বিভাগ এ্যাটমোস্ট্রয়। রাশিয়ান ফেডারেশনের সঙ্গে একটি সাধারণ চুক্তির মাধ্যমে এ কাজ চলছে। এর আগে ২০১৩ সালে সমীক্ষা চুক্তি এবং ২০১৫ সালে নির্মাণ চুক্তি হয়। চুক্তি অনুযায়ী এতে অর্থায়ন ও কারিগরি সহায়তা দিচ্ছে রাশিয়া। মূল প্রকল্পের নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে ১২.৬ বিলিয়ন ডলার বা এক লাখ ১৩ হাজার কোটি টাকা। এ প্রকল্পে দুটি ইউনিট রয়েছে। ইউনিট দুটিতে রাশিয়ার সর্বশেষ প্রযুক্তির ৩ জি(+) ভিভিইআর ১২০০ রিয়্যাক্টর স্থাপন করা হয়েছে।
প্রতিটি ইউনিটের উৎপাদন ক্ষমতা ১২০০ মেগাওয়াট করে। সে অনুযায়ী এ প্রকল্প থেকে মোট ২৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হবে। এ বিদ্যুৎকেন্দ্রটির আয়ুষ্কাল (উৎপাদন সময়) ৬০ বছর। এরপর এই সক্ষমতা প্রথমে ২০ বছর, পরে আরও ২০ বছর অর্থাৎ মোট ৪০ বছর এক্সটেনশন করে ১০০ বছর এ প্রকল্প থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যেতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।
এই প্রকল্পের প্রথম ইউনিটের নির্মাণকাজ শেষ হয়েছে, যেটিতে ফুয়েল লোডিংয়ের মাধ্যমে উৎপাদন প্রক্রিয়া শুরু হলো। দ্বিতীয় ইউনিটের নির্মাণকাজ এখনো চলছে। আগামী বছরের শেষ নাগাদ এর নির্মাণকাজ সম্পন্ন হতে পারে। প্রকল্প সূত্রে জানা যায়, সবমিলিয়ে পুরো প্রকল্প শেষ হতে ২০২৮ সাল লাগতে পারে।
প্রথম ইউনিটের ফুয়েল লোডিং উদ্বোধন অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বলেন, আজকের দিনে নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি অপরিহার্য। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র সেই চাহিদা পূরণ করবে। শুধু বিদ্যুৎ উৎপাদনই করবে না, বিজ্ঞান-প্রযুক্তির ক্ষেত্রেও বড় ভূমিকা রাখবে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র।
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সচিব আনোয়ার হোসেন বলেন, এই পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র দেশের জ্বালানি নিরাপত্তাকে টেকসই করবে। বাংলাদেশকে বিজ্ঞান প্রযুক্তির দেশের দিকে এগিয়ে নেবে।
The post ইউরেনিয়াম লোডিংয়ে রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্রে উৎপাদন প্রক্রিয়া শুরু appeared first on আইন আদালত প্রতিদিন.
]]>The post বাসভাড়া না বাড়াতে মালিক সমিতির কঠোর নির্দেশ appeared first on আইন আদালত প্রতিদিন.
]]>বাসভাড়া না বাড়ানোর নির্দেশ দিলেও পরিবহন খাতের সংকটের কথা তুলে ধরেছে মালিক সমিতি। বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, লিটারপ্রতি ডিজেলের দাম ১৫ টাকা বৃদ্ধি পাওয়ায় পরিবহন পরিচালনা ব্যয় অনেক বেড়েছে। এ ছাড়া ডলারের দাম বেড়ে যাওয়ায় গাড়ির যন্ত্রাংশ ও রক্ষণাবেক্ষণ (মেইনটেন্যান্স) খরচ এখন আকাশচুম্বী।
এই পরিস্থিতিতে পরিবহন খাতকে লোকসান থেকে বাঁচাতে দ্রুততম সময়ের মধ্যে বাস্তবসম্মতভাবে ভাড়া সমন্বয় করার জন্য সরকারের প্রতি বিশেষ আহ্বান ও জোর দাবি জানিয়েছে সমিতি। এদিকে : সরকারি সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত বাসভাড়া না বাড়ানোর জন্য দেশের সব পরিবহন মালিকদের প্রতি নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতি। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সমিতির মহাসচিব মো. সাইফুল আলম এ নির্দেশনা দেন। তিনি বলেন, সরকারিভাবে বাসভাড়া বৃদ্ধির কোনো সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত বর্তমান নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে বেশি ভাড়া নেওয়া যাবে না।
সাইফুল আলম বলেন, সম্প্রতি ডিজেলের মূল্য লিটারপ্রতি ১৫ টাকা বৃদ্ধি এবং ডলারের দাম বেড়ে যাওয়ায় যানবাহনের রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। এ পরিস্থিতিতে দ্রুত সময়ের মধ্যে বাসভাড়া সমন্বয় করা প্রয়োজন। মালিক সমিতির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, যাত্রীসাধারণের স্বার্থ বিবেচনায় সরকার নির্ধারিত ভাড়াই আপাতত কার্যকর থাকবে। তবে বাড়তি পরিচালন ব্যয়ের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।
The post বাসভাড়া না বাড়াতে মালিক সমিতির কঠোর নির্দেশ appeared first on আইন আদালত প্রতিদিন.
]]>The post সরবরাহ বাড়লেও তেলের পাম্পে দীর্ঘ সারি appeared first on আইন আদালত প্রতিদিন.
]]>
নির্দেশনা অনুযায়ী, সোমবার থেকে অকটেনের সরবরাহ ২০ শতাংশ এবং পেট্রল ও ডিজেলের সরবরাহ ১০ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে।
তবে সরকারি এই নির্দেশনার প্রভাব মাঠ পর্যায়ে এখনো দৃশ্যমান নয়।
সোমবার দুপুরে রাজধানীর বনশ্রী ফিলিং স্টেশন লিমিটেড এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, প্রধান সড়ক ছাড়িয়ে তেলের জন্য অপেক্ষমাণ যানবাহনের লাইন গলি পর্যন্ত পৌঁছেছে।
সেখানে অপেক্ষারত মোটরসাইকেলচালক আরমান হোসেন বলেন, শুনলাম সরবরাহ বেড়েছে, কিন্তু এখানে এসে দেখি সেই আগের মতোই লাইন। এক ঘণ্টার বেশি দাঁড়িয়ে আছি, এখনো পাম্পের কাছে পৌঁছাতে পারিনি।
একই চিত্র দেখা গেছে হাজীপাড়া সিএনজি ফিলিং স্টেশনেও। সেখানে ডিজেলের জন্য ট্রাক ও কাভার্ডভ্যানের দীর্ঘ জটলা তৈরি হয়েছে। চালকদের অভিযোগ, সরবরাহ বাড়ার কথা বলা হলেও পাম্প কর্তৃপক্ষ ‘লিমিট’ করে তেল দিচ্ছে।
রামপুরা থেকে আসা প্রাইভেটকারচালক মোবারক বলেন, তেল নাকি পর্যাপ্ত আছে, কিন্তু আমাদের বলা হচ্ছে ১০০০ টাকার বেশি তেল দেওয়া যাবে না। সরবরাহ বাড়লে আমাদের এই ভোগান্তি কেন?
এদিকে রাজারবাগ সার্ভিস স্টেশন পেট্রল পাম্পেও গ্রাহকদের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। দীর্ঘ লাইনের কারণে ওই এলাকায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে। গরমে দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস উঠেছে।
পাম্প কর্তৃপক্ষের দাবি, সরবরাহ বাড়লেও চাহিদা আগের চেয়ে কয়েকগুণ বেড়ে গেছে। দাম বাড়ার পর মানুষের মধ্যে এক ধরনের আতঙ্ক কাজ করছে, যার ফলে সবাই ট্যাংক পূর্ণ করে রাখতে চাচ্ছেন।
উল্লেখ্য, নতুন দর অনুযায়ী প্রতিলিটার ডিজেল ১১৫ টাকা, অকটেন ১৪০ টাকা, পেট্রল ১৩৫ টাকা ও কেরোসিন ১৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সরবরাহ স্বাভাবিক হতে আরও কয়েকদিন সময় লাগতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
The post সরবরাহ বাড়লেও তেলের পাম্পে দীর্ঘ সারি appeared first on আইন আদালত প্রতিদিন.
]]>The post ১২ কেজি এলপিজির দাম বাড়ল ২১২ টাকা appeared first on আইন আদালত প্রতিদিন.
]]>এর আগে সবশেষ গত ২ এপ্রিল চলতি মাসের জন্য ভোক্তা পর্যায়ে এলপিজির দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। ওইদিন ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ১ হাজার ৭২৮। অর্থাৎ এলপিজির ১২ কেজির সিলিন্ডারে এক লাফে ২১২ টাকা দাম বাড়ল।
The post ১২ কেজি এলপিজির দাম বাড়ল ২১২ টাকা appeared first on আইন আদালত প্রতিদিন.
]]>The post বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে জ্বালানি তেল appeared first on আইন আদালত প্রতিদিন.
]]>এতে প্রতি লিটার ডিজেলে ১৫ টাকা বৃদ্ধি হয়ে বিক্রি হবে ১১৫ টাকায়, প্রতি লিটার কেরোসিন ১৮ টাকা বৃদ্ধি হয়ে বিক্রি হবে ১৩০ টাকায়, প্রতি লিটার পেট্রল ১৯ টাকা বৃদ্ধি হয়ে বিক্রি হবে ১৩৫ টাকায় এবং প্রতি লিটার অকটেন ২০ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে বিক্রি হবে ১৪০ টাকায়। দাম বাড়ানোর ঘোষণার পর রাত থেকেই রাজধানীসহ সারা দেশের ফিলিং স্টেশনগুলোতে যানবাহনের দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে। শনিবার রাত ১১টার দিকে তেজগাঁও ও মহাখালী এলাকার বেশ কিছু পাম্পে গিয়ে দেখা যায়, অনেক স্টেশনে তেল নেই বলে বিক্রি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তবে কিছু পাম্পে স্বাভাবিক সরবরাহ থাকলেও যানবাহনের সারি ছিল কয়েক কিলোমিটার দীর্ঘ।
রাজধানীর তেজগাঁওয়ের সাউদান পাম্পে এক বিড়ম্বনাপূর্ণ চিত্র দেখা যায়। সাধারণত তেল ফুরিয়ে যাওয়ার এক ঘণ্টা আগে মাইকিং করার নিয়ম থাকলেও, দাম বৃদ্ধির ঘোষণার পর মাত্র ১০ মিনিটের নোটিশে তেল বিক্রি বন্ধ করে দেওয়া হয়। পাম্পে মজুত থাকার পরও বিক্রি বন্ধ রাখায় গ্রাহকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ সৃষ্টি হয়। পরে সাধারণ মানুষের তোপের মুখে পুনরায় জ্বালানি সরবরাহ শুরু করতে বাধ্য হয় পাম্প কর্তৃপক্ষ। তেল নিতে আসা সাধারণ চালক ও ভোক্তারা বলছেন, দাম বাড়ালেও সংকট কাটবে কি না, তা নিয়ে তারা সংশয়ে আছেন। ঘণ্টার পর ঘণ্টা পাম্পে অপেক্ষার এই ভোগান্তি থেকে মুক্তি চান তারা। ভোক্তাদের মতে, বাজারে তেলের কৃত্রিম সংকট রোধে এবং সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে মাঠ পর্যায়ে সরকারের কঠোর তদারকি প্রয়োজন।
The post বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে জ্বালানি তেল appeared first on আইন আদালত প্রতিদিন.
]]>